1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান
ছবি: Fotolia/Franz Pfluegl

মৌলিক অধিকার

৩০ এপ্রিল ২০১২

অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসার মতো ইন্টারনেটও এখন মানুষের মৌলিক চাহিদা হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিশেষজ্ঞরা৷ ‘ইন্টারনেট সোসাইটি’র ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে জেনেভায় এক সম্মেলনে বক্তারা এই মন্তব্য করেন৷

https://www.dw.com/bn/%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%9F-%E0%A6%8F%E0%A6%96%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B7%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A7%8C%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%85%E0%A6%A7%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0/a-15917616

ইন্টারনেটের শুরুর ইতিহাসটা ষাটের দশকের৷ তবে আজকের অবস্থানে এসেছে আশির দশকে৷ আর আজ ২০১২ সালে এসে পরিস্থিতি এমন হয়েছে যে, অনেকের কাছেই ইন্টারনেট ছাড়া জীবন যেন অর্থহীন৷ তাইতো বিশেষজ্ঞরা বলছেন ইন্টারনেট যেন এখন জীবনের একটা মৌলিক বিষয় হয়ে উঠছে৷

কিন্তু এরপরও পৃথিবীতে এমন মানুষের সংখ্যা অনেক, যাদের কাছে এখনো ইন্টারনেট পৌঁছেনি৷ তাদের কাছে ইন্টারনেটকে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যেই ১৯৯২ সালে যাত্রা শুরু করে ‘ইন্টারনেট সোসাইটি'৷

সম্প্রতি জেনেভায় এই সোসাইটি একটি সম্মেলনের আয়োজন করেছিল৷ আগামী ২০ বছরে ইন্টারনেটকে নিয়ে পরিকল্পনা এবং তা বাস্তবায়নে কী করা উচিত, সেটা নিয়েই আলোচনা করেছেন বিশেষজ্ঞরা৷ উপস্থিত ছিলেন ইন্টারনেট জগতের সব রথী-মহারথীরা৷ আর বাংলাদেশ থেকে অংশ নেন ইন্টারনেট সোসাইটি বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের সৈয়দ ফয়সাল হাসান ও মোহাম্মদ কাওছার উদ্দীন৷

UN Informationsgipfel
ইন্টারনেট এখন মানুষের মৌলিক অধিকারছবি: AP

সম্মেলন নিয়ে কথা হচ্ছিল কাওছারের সঙ্গে৷ তিনি বললেন, উন্নয়নশীল দে‌শগুলোতে কীভাবে ইন্টারনেটের প্রসার বাড়ানো যায় তা নিয়ে আলোচনা করেছেন বক্তারা৷ এজন্য কারিগরী ও আর্থিক সুবিধা দেয়া যায় কিনা সেসব নিয়েও কথাবার্তা হয়েছে৷ কাওছার বলেন, সম্মেলনে যেসব বিশেষজ্ঞ এসেছিলেন তারা মনে করেন, উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সহায়তা না করলে ‘সবার জন্য ইন্টারনেট' বিষয়টি নিশ্চিত করা যাবেনা৷ তিনি বলেন,‘‘সম্মেলনে নির্দিষ্টভাবে কোনো আর্থিক বা কারিগরী সহায়তার প্রতিশ্রুতি না দেয়া হলেও আমার কাছে মনে হয়েছে ভবিষ্যতে তারা একাজে এগিয়ে আসতে ইচ্ছুক৷''

অনেক বিশ্লেষকের ধারণা, আগামী ২০ বছর পর ২০৩২ সালে হয়তো এমন অবস্থা আসতে পারে যে, তখন ইন্টারনেট ছাড়া কোনো কিছুই করা যাবেনা৷

গত বছরের জুলাই মাসে বাংলাদেশে ইন্টারনেট সোসাইটি তাদের কাজ শুরু করে৷ এ পর্যন্ত তারা তিনটি ওয়ার্কশপের আয়োজন করেছেন৷ কাওছার বলেন, ‘‘বাংলাদেশে এখনো ইন্টারনেট প্রোটোকল ভার্সন ৬ বা আইপিভি ৬ নিয়ে কেউ ভাবছেনা৷ অথচ আমরা যদি সময়মতো আমাদের কম্পিউটারগুলোকে আইপিভি ৬ এ উন্নীত করতে না পারি তাহলে হয়তো একটা সময় পুরো বিশ্ব থেকেই আমাদেরকে আলাদা হয়ে যেতে হবে৷''

এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইপিভি ৬ এর উপর কোনো স্বল্পমেয়াদী কোর্স চালু করা যায় কিনা সে লক্ষ্যেও কাজ চলছে বলে জানান কাওছার৷ বাংলাদেশে ইন্টারনেটকে সবার কাছে পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে সরকারি কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করছে ইন্টারনেট সোসাইটি৷ তিনি বলেন, ‘‘আমাদের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বিটিআরসির প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়৷ এছাড়া আমরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের চেষ্টা করছি৷''

প্রতিবেদন: জাহিদুল হক

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

স্কিপ নেক্সট সেকশন ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মিয়ানমারে ফেরার কথা বললেই বিপদ!

স্কিপ নেক্সট সেকশন ডয়চে ভেলে থেকে আরো সংবাদ

ডয়চে ভেলে থেকে আরো সংবাদ

প্রথম পাতায় যান