ইনজুরি টাইমের গোলে শেষ রক্ষা ইংল্যান্ডের | বিশ্ব | DW | 18.06.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

ফুটবল

ইনজুরি টাইমের গোলে শেষ রক্ষা ইংল্যান্ডের

আবার কি অঘটন ঘটেই গেল? অপেক্ষাকৃত দুর্বল দল টিউনিশিয়ার সঙ্গে পয়েন্ট ভাগাভাগিই করতে হবে! পুরোটা সময় শ্বাসরোধ করে বসেছিলেন ইংল্যান্ডের সমর্থকরা৷

শিরোপার দাবিদার ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা এবং বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন জার্মানির যে নাকানিচুবানি অবস্থা হয়েছে নিজেদের প্রথম ম্যাচে, তাতে ইংল্যান্ডের ভয়ই পাওয়ার কথা৷ আর্জেন্টিনা এবং ব্রাজিল ড্র করে মান বাঁচালেও, জার্মানি তো হেরেই বসলো মেক্সিকোর কাছে৷

শুরু থেকে অবশ্য মাঠ দাঁপিয়ে বেড়াচ্ছিল ইংল্যান্ডই৷ প্রথম কয়েক মিনিটেই দারুণ কয়েকটি আক্রমণ থেকে গোল আসতে পারতো৷ তবে টিউনিশিয়ার গোলরক্ষক মুয়েজ হাসেন সাধারণ দক্ষতায় সামলে রাখেন গোলপোস্ট৷

তবে ১৫ মিনিটের মাথায়ই কাঁধে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হওয়ার আগে একটা গোল হজম করতেই হয় মুয়েজকে৷ ১১ মিনিটে কর্নার থেকে আসা বলে জন স্টোনসের হেডও ফিরিয়েছিলেন দারুণভাবেই৷ কিন্তু ফিরতি শটে বল জালে জড়াতে কোনো কষ্টই হয়নি হ্যারি কেইনের৷

১৫ মিনিটে মুয়েজের পরিবর্তে গোলপোস্টে দাঁড়ান ফারুক বিন মোস্তাফা৷ ৩৫ মিনিটে ডিবক্সে কাইল ওয়াকারের ফাউলে পেনাল্টি পায় তিউনিশয়া৷ সুবর্ণ সুযোগ কাজে লাগাতে একটুও ভুল করেননি ফখরুদ্দিন বিন ইউসেফ৷

এরপর বাকি সময়টা ইংল্যান্ড দল ও সমর্থকদের কেটেছে দুঃস্বপ্নের মতো৷ তীব্র আক্রমণও বারবার রুখে দিয়েছে উজ্জ্বীবিত টিউনিশিয়া।

তবে শেষ পর্যন্ত যোগ করা সময়ে হাঁফ ছেড়ে বাঁচা৷ এবারও নায়ক হ্যারি কেইন৷ টিউনিশিয়ার রক্ষণভাগের ভুলে বল পেয়ে যান পায়ে৷ একা গোলরক্ষককে সামনে পেয়ে জালে জড়ান ইংল্যান্ডের স্বপ্ন৷

এদিকে, ফেবারিটের মতোই বিশ্বকাপ শুরু করেছে বেলজিয়াম৷ পানামার বিপক্ষে ম্যাচ জিতে নিয়েছে ৩-০ গোলে৷

শুরুটা অবশ্য বেশ খারাপই ছিলো৷ প্রথমার্ধ ছিল গোলশূন্য৷ তবে বিরতি থেকে ফিরেই ৪৭ মিনিটের মাথায় দ্রিস মের্তেন্স যেই না একটা গোল দিলেন, অমনি পুরো পালটে গেল বেলজিয়াম৷ একের পর এক আক্রমণে বিপর্যস্ত পানামাকে বাকি সময়ে হজম করতে হয় আরো দুই গোল৷

দিনের প্রথম ম্যাচ ১-০ গোলে জিতে নিয়েছে সুইডেন৷ দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচে এ জয়ে ভাগ্যের সহায়তা অনেকটাই৷

শুরু থেকে দু’দলই বেশ গতিশীল ফুটবল খেলছিল৷ আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে উঠেছিল ম্যাচ৷ ব্যাপক উত্তেজনা থাকলেও প্রথমার্ধে লক্ষ্যভেদ করতে পারেনি কোন দলই৷

দ্বিতীয়ার্ধেও একই গতি ধরে রাখে দুই দল৷ তবে ৬১ মিনিটে বল নিয়ে বিপজ্জনকভাবে ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন সুইডেনের ভিক্টর ক্লায়েসন৷ কিম-মিন উর ট্যাকলে মাটিতে পড়ে যান তিনি৷

সুইডেনের খেলোয়াড়েরা ক্রমাগত রেফারির কাছে আবেদন করলেও, চলতে থাকে খেলা৷ তবে এক পর্যায়ে খেলা থামিয়ে বিশ্বকাপে নতুন চালু করা ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারিবা ভিএআর প্রযুক্তির সহায়তা নেয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি৷

রিপ্লে দেখে ফাউল হয়েছে সিদ্ধান্ত জানালে পেনাল্টি থেকে জয়সূচক একমাত্র গোলটি করেন আন্দ্রেস গ্রাঙ্কভিস্ট৷ খেলার বাকি সময়ে বারবার আক্রমণে গেলেও গোল শোধ করতে পারেননি দক্ষিণ কোরিয়ার খেলোয়াড়রা৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন