ইকুয়েডরের জেলে দাঙ্গা, মৃত শতাধিক | বিশ্ব | DW | 30.09.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ইকুয়েডর

ইকুয়েডরের জেলে দাঙ্গা, মৃত শতাধিক

জেলের ভিতর ড্রাগ মাফিয়াদের লড়াই। মৃত শতাধিক। আহত ৫২জন। সেনা পাঠিয়ে লড়াই বন্ধ করতে হয়েছে।

ইকুয়েডরের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত গুয়াইয়াকিল শহর। সেখানেই আছে কুখ্যাত একটি জেল। দেশের অধিকাংশ ড্রাগ মাফিয়াদের ওই জেলে রাখা হয়। বুধবার সেই জেলেই কার্যত দাঙ্গা শুরু হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, দুইটি মাদকচক্রের মধ্যে লড়াই শুরু হয়। সকলের হাতেই ছিল আগ্নেয়াস্ত্র এবং ছুরি। জেলের ভিতর তারা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে বলেও অভিযোগ।

জেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, অন্তত পাঁচজনের গলাকাটা মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। বাকিদের মৃত্যু হয়েছে গুলি লেগে। ছুরির আঘাতে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।ঃ

বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, ইকুয়েডরের ওই রুট দিয়ে মেক্সিকো এবং অ্যামেরিকার মধ্যে মাদক পাচার হয়। ইকুয়েডরের নাগরিকরাও ওই চক্রের সঙ্গে যুক্ত। মাদক চক্রের দুইটি গ্যাং অত্যন্ত সক্রিয়। একটির নাম লস লোবোস এবং অন্যটি লস কোনেরস। বুধবার এই দুইটি গ্যাংয়ের মধ্যেই জেলের ভিতর লড়াই শুরু হয়।

প্রশ্ন উঠেছে, কীভাবে জেলের ভিতর আধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র, ছুরি এবং বিস্ফোরক পেল দুষ্কৃতীরা? জেল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, ইকুয়েডরে বন্দিদের রাখার মতো যথেষ্ট কারাগার নেই। ফলে প্রতিটি জেলেই অনেক বেশি বন্দি থাকে। তাদের দেখার মতো নিরাপত্তারক্ষীও যথেষ্ট নেই। ফলে সহজেই তাদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র পৌঁছে যায়।

গত ফেব্রুয়ারি মাসেও এই একই জেলে লড়াই হয়েছিল। ৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল। জেলে ড্রোন আক্রমণেরও চেষ্টা হয়েছে বলে জানা গেছে।

এসজি/জিএইচ (ইএফই, এএফপি, এপি)