1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান
লন্ডন
ছবি: Andrew Couldridge/REUTERS

ইউরো ফাইনাল লন্ডন থেকে সরানোর দাবি

২২ জুন ২০২১

লন্ডন থেকে ইউরো কাপের ফাইনাল রোমে সরানোর দাবি ইটালির প্রধানমন্ত্রীর। করোনার কারণেই এই মন্তব্য।

https://www.dw.com/bn/%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%B0%E0%A7%8B-%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B2-%E0%A6%B2%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%A8-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8B%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BF/a-57987298

জমে উঠেছে ইউরো কাপ। আগামী ১১ জুলাই ফাইনাল হওয়ার কথা লন্ডনে। কিন্তু বাদ সেধেছে ইটালি। দেশের প্রধানমন্ত্রী মারিও দ্রাঘির দাবি, লন্ডনে করোনার ডেল্টা সংস্করণ ধরা পড়েছে। ফলে সেখান থেকে ম্যাচ সরিয়ে রোমে নিয়ে আসা হোক। ইউরো কাপ কর্তৃপক্ষ এখনো বিষয়টি নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।

১১ জুলাই লন্ডনের ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে ইউরো কাপের ফাইনাল ম্যাচ হওয়ার কথা। কিন্তু সম্প্রতি যুক্তরাজ্যে করোনার সংক্রমণ আবার নতুন করে বাড়তে শুরু করেছে। আশঙ্কার বিষয় হলো সেখানে করোনার ডেল্টা সংস্করণের সন্ধান মিলেছে। যা অত্যন্ত দ্রুত গতিতে ছড়ায়। করোনার ডেল্টা সংস্করণ প্রথম পাওয়া গিয়েছিল ভারতে। লাখ লাখ মানুষ নতুন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন। মৃত্যুর হারও বেড়েছিল। ভাইরোলজিস্টদের দাবি, করোনার ডেল্টা ভেরিয়েন্ট অন্য সংস্করণগুলির চেয়ে অনেক বেশি ভয়ংকর। সেই ডেল্টা সংস্করণই ধরা পড়েছে যুক্তরাজ্যে। ফলে সেখান থেকে ম্যাচ সরিয়ে রোমে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন ইটালির প্রধানমন্ত্রী।

জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের সঙ্গে বৈঠক করতে বার্লিন গিয়েছিলেন দ্রাঘি। সেখানে যৌথ সাংবাদিক বৈঠক করছিলেন ম্যার্কেল এবং দ্রাঘি। সেখানেই সাংবাদিকদের দ্রাঘি বলেন, ''সংক্রমণ যেখানে বাড়ছে, সেখান ফাইনাল না হওয়া উচিত বলেই মনে করি। লন্ডন থেকে তা রোমে সরিয়ে আনা হোক।''

এর আগে ম্যার্কেল এবং ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁ ইউরো কাপ নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। তাদের বক্তব্য ছিল, যে ভাবে স্টেডিয়ামে ভিড় করে খেলা দেখছেন দর্শকরা, তাতে সংক্রমণ আবার বাড়তে পারে। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছেন, তার প্রথম এবং প্রধান কাজ হলো দেশকে সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করা।

ম্যার্কেল এবং দ্রাঘির বৈঠকেরমূল বিষয় অবশ্য ইউরো কাপ ছিল না। মূলত শরণার্থী সমস্যা নিয়েই তাদের কথা হয়েছে। ২০১৬ সালের চুক্তি মাথায় রেখে সিরিয়ান শরণার্থী সংক্রান্ত বিষয়ে তুরস্ককে পাশে রাখার চুক্তি যাতে অব্যাহত থাকে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের। একই সঙ্গে উত্তর আফ্রিকায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের উপস্থিতি বাড়ানোর প্রসঙ্গেও আলোচনা হয়েছে তাদের।

এসজি/জিএইচ (রয়টার্স, ডিপিএ)

স্কিপ নেক্সট সেকশন ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

পুটিন ও জেলেন্সকি

ইউক্রেন সংকট কি এবার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে?

স্কিপ নেক্সট সেকশন ডয়চে ভেলে থেকে আরো সংবাদ

ডয়চে ভেলে থেকে আরো সংবাদ

প্রথম পাতায় যান