ইউরোপে অভিবাসনবিরোধী জোটের তৎপরতা | জার্মানি ইউরোপ | DW | 29.08.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ইউরোপ

ইউরোপে অভিবাসনবিরোধী জোটের তৎপরতা

অভিবাসন নিয়ে ইউরোপের দৃষ্টিভঙ্গিতে পোষাচ্ছে না হাঙ্গেরি ও ইটালির৷ ইইউ-র আহ্বান সত্ত্বেও আর কোনো অভিবাসীকে স্থান না দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন এই দু'দেশের নেতারা৷

হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর ওর্বান এবং ইটালির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাত্তেও সালভানি বেশ কিছুদিন ধরেই একে অপরের প্রশংসায় পঞ্চমুখ৷ অভিবাসনবিরোধী নীতিতে একমত এই দুই নেতা৷ ইউরোপীয় ইউনিয়নকে প্রায় নিয়মিতই এ বিষয়ে হুমকিও দিয়েছেন তাঁরা৷

এবার তাঁরা ডাক দিলেন সর্ব-ইউরোপীয় অভিবাসনবিরোধী জোট গঠনের৷ এই জোট আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে ইউরোপে শরণার্থীর ঢল ঠেকানোর পক্ষে কাজ করবে

মিলানে এক বৈঠক শেষে ইটালির জোট সরকারের শরিক দল লিগ পার্টির প্রধান সালভানি সাংবাদিকদের বলেন, হাঙ্গেরির সাথে মিলে তাঁর দেশ একটি ‘জোট গঠনের লক্ষ্যে' কাজ করবে৷ তিনি বলেন, ‘‘এই জোট বামপন্থি ও সমাজতন্ত্রীদের বাদ দিয়ে গঠন করা হবে এবং মূল্যবোধ ফিরিয়ে আনবে৷''

সালভানি বলেন, ‘‘এই মহাদেশে আমরা একটি ঐতিহাসিক পরিবর্তনের কাছাকাছি দাঁড়িয়ে আছি৷''

এদিকে, ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের সবচেয়ে বড় গ্রুপ ইউরোপিয়ান পিপলস পার্টিকে অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে একটি শক্ত অবস্থান নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন৷ ওর্বানের দল ফিদেৎস এই গ্রুপের সাথেই আছে৷ ২০১৪ সাল থেকে সালভানির দলও ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের চরম ডানপন্থি অংশের সাথেই আছে৷

জলে ইটালি, ডাঙায় হাঙ্গেরি

অভিবাসীদের উদ্ধার করে আনা জাহাজ ফিরিয়ে দেয়ায় সালভানিকে ‘নায়ক ও চ্যাম্পিয়ন' বলে উল্লেখ করেছেন ওর্বান৷ ইউরোপের নিরাপত্তার জন্যই এমন ব্যবস্থা নেয়া উচিত বলে মনে করেন ওর্বান৷

তিনি বলেন, ‘‘হাঙ্গেরি প্রমাণ করেছে অভিবাসীদের ভূমিতে আটকানো সম্ভব৷ এখানেই শুরু সালভানির মিশন৷ তাঁকে দেখাতে হবে অভিবাসীদের জলেও আটকানো যায়৷''

ক্ষমতায় আসার পর থেকে ইটালির সরকার দেশটিক দক্ষিণে অভিবাসী বহনকারী বেশ কয়েকটি জাহাজ নোঙর করা থেকে বিরত রেখেছে৷ জুলাইয়ে সিসিলিতে একোয়ারিয়াস নামের জাহাজকে ভিড়তে দেয়নি ইটালি৷ কয়েকদিন ৬৩০ অভিবাসী নিয়ে সাগরে ভাসার পর তাদের নিতে সম্মত হয় স্পেন৷

সবশেষ ডিকিয়োটি নামের আরেক জাহাজ ১৮০ অভিবাসনপ্রত্যাশী নিয়ে সিসিলিতে আসে৷ এক সপ্তাহ পর তাঁদের নামার অনুমতি দিলেও তাঁদেরকে ইউরোপের অন্যান্য দেশে পাঠানোর নির্দেশ দেন সালভানি৷

এদিকে, অভিবাসী ঠেকাতে ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়ার সাথে সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিয়েছে হাঙ্গেরি৷ ইইউ-র অভিবাসী বিষয়ক কোটাব্যবস্থায় অংশ নিতেও নারাজি দিয়েছেন ওর্বান৷

এডিকে/এসিবি (এএফপি, ডিপিএ, এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন