ইউরোপীয় পার্লামেন্ট নির্বাচনে অংশ নেবে ব্রিটেন | বিশ্ব | DW | 08.05.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ইউরোপ

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট নির্বাচনে অংশ নেবে ব্রিটেন

ব্রিটেনের সরকার ব্রেক্সিট চুক্তি অনুমোদন করাতে ব্যর্থ হয়ে আসন্ন ইইউ পার্লামেন্ট নির্বাচনে অংশ নেবার সিদ্ধান্ত হয়েছে৷ তবে বিরোধী লেবার দলের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে দ্রুত ব্রেক্সিট কার্যকর করতে চায় সরকার৷

ব্রেক্সিট নিয়ে লাগাতার অচলাবস্থা যে ব্রেক্সিটের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত করে তুলতে পারে, সে বিষয়ে বারবার সতর্ক করে দিয়েছিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে-সহ অনেক মহল৷ তা সত্ত্বেও তাঁর টোরি দল ও সংসদে ব্রেক্সিটপন্থিরা কোনো সমাধানসূত্র সম্পর্কে ঐকমত্যে আসতে পারেননি৷ সংসদে ব্রেক্সিট চুক্তি অনুমোদনের শেষ প্রচেষ্টা হিসেবে বিরোধী লেবার দলের সঙ্গে সমঝোতার উদ্যোগ নিয়েছে টোরি দল৷ কিন্তু প্রায় ৪ সপ্তাহ পরও সে ক্ষেত্রে কোনো সাফল্য আসেনি৷

এই অবস্থায় মঙ্গলবার ব্রিটেনের সরকার জানিয়ে দিয়েছে, সে দেশকে আগামী ২৩শে মে আসন্ন ইউরোপীয় পার্লামেন্ট নির্বাচনে অংশ নিতে হবে৷ উপ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পরিচিত ডেভিড লিডিংটন এই ঘোষণা করে বলেন, নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের শেষ পর্যন্ত ২রা জুলাই ইউরোপীয় পার্লামেন্টে আসন গ্রহণ করতে হবে না বলে তিনি আশা করছেন৷ ২০শে জুলাই সংসদের গ্রীষ্মকালীন বিরতির আগেই ব্রেক্সিটের প্রশ্নে ঐকমত্য সম্ভব হবে বলে মনে করেন লিডিংটন৷ প্রধানমন্ত্রী নিজে এই সিদ্ধান্তের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন৷

ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়ে সেই জোটের পার্লামেন্ট নির্বাচনে অংশ নেওয়া ব্রিটেনের পক্ষে অত্যন্ত অস্বস্তিকর বিষয়৷ তার উপর সাম্প্রতিক পৌর নির্বাচনে ক্ষমতাসীন টোরি ও বিরোধী লেবার দলের খারাপ ফলাফলের পর দুই প্রধান রাজনৈতিক শক্তি এত দ্রুত আবার ভোটারদের মুখোমুখি হতে আগ্রহী নয়৷ একদিকে সদ্য গঠিত ব্রেক্সিট পার্টি, অন্যদিকে ইউরোপপন্থি লিবারাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি ও চেঞ্জ ইউকে দল এই নির্বাচনে লাভবান হবে বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে৷

এদিকে মঙ্গলবারই টোরি দল বিরোধী লেবার দলের সঙ্গে আবার ব্রেক্সিট সংক্রান্ত আলোচনা শুরু করেছে৷ আলোচনা ‘গঠনমূলক' ও ‘বিবিধ' ছিল বলে সরকার জানিয়েছে৷ বুধবারও আলোচনা চলবে৷ তবে লেবার দল অভিযোগ করেছে, যে টোরি দল এখনো কোনো বিষয়ে ছাড় দিতে প্রস্তুত নয়৷

ক্ষমতাসীন টোরি দলের মধ্যে ব্রেক্সিট প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বেড়ে চলেছে৷ পৌর নির্বাচনে খারাপ ফলাফলের পর প্রধানমন্ত্রী মে মন্ত্রিসভার সদস্যদের বলেছেন, বিরোধীদের সঙ্গে এখনো রফা না হলেও জনসাধারণ দুই দলের উদ্দেশ্যে স্পষ্ট বার্তা পাঠিয়েছেন৷ তাঁরা চান, দুই প্রধান দল ব্রেক্সিট কার্যকর করুক৷ তবে দলের ব্রেক্সিট-বিরোধী সদস্যরা মনে করেন, ইউরোপপন্থিদের বেশি ভোট দিয়ে মানুষ বরং ব্রেক্সিটের বিরুদ্ধে রায় দিয়েছেন৷

 ব্রেক্সিট চুক্তির প্রতি সমর্থনের পূর্বশর্ত হিসেবে লেবার দল ইইউ-র সঙ্গে স্থায়ী শুল্ক ইউনিয়নের যে দাবিতে অটল রয়েছে, টোরি দলের পক্ষে তাতে সায় দেওয়া কঠিন৷ কারণ সে ক্ষেত্রে দলের একটা বড় অংশ বিদ্রোহ করতে পারে৷ অন্যদিকে লেবার দলের একাংশ নতুন গণভোটের মাধ্যমে যে কোনো সমাধানসূত্র অনুমোদনের দাবি করছে৷

এসবি/এসিবি (রয়টার্স, এএফপি, ডিপিএ)

 

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন