ইউক্রেন যেতে পারল না এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান | বিশ্ব | DW | 24.02.2022

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ভারত

ইউক্রেন যেতে পারল না এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান

মাঝপথ থেকেই ফিরে এলো এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান৷ ইউক্রেন জানিয়েছে, আপাতত কোনো অসামরিক বিমান নামতে দেওয়া হবে না সেখানে৷

ইউক্রেনে প্রায় ২০ হাজার ভারতীয় আটকে আছেন। তাদের উদ্ধার করতে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান পাঠিয়েছিল ভারতীয় প্রশাসন। দিল্লি থেকে সেই বিমান রওনা হয়েছিল বৃহস্পতিবার সকালে। কিন্তু মাঝপথে ইউক্রেন নোটিস জারি করে জানিয়ে দেয়, আপাতত সে দেশে কোনো অসামরিক বিমান নামতে দেওয়া হবে না। এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটিকে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ করে ইউক্রেনের এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোল। এরপরেই মাঝরাস্তা থেকে বিমানটি ফের দিল্লি ফিরে আসে।

বৃহস্পতিবার ভোরে ইউক্রেনে হামলা চালানোর কথা ঘোষণা করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুটিন। তবে গত কয়েকদিন ধরেই সেখানে হামলার পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছি্ল। বৃহস্পতিবার সকালে রাশিয়া সামরিক অভিযানের কথা ঘোষণার পরে দ্রুত ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রণালয় বিবৃতি প্রকাশ করে। তারা জানায়,

শান্তি ফেরানোর জন্য যেন সব পক্ষ ব্যবস্থা নেয়। পাশাপাশি ইউক্রেনে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই দিল্লি থেকে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইট পাঠানো হয় ইউক্রেনে। সেখানে আটকে থাকা ভারতীয়দের উদ্ধারের জন্য। কিন্তু মাঝ রাস্তায় ইউক্রেন সেই বিমানকে একটি বার্তা পাঠায়। তাতে বলা হয়, অসামরিক কোনো বিমান আপাতত ইউক্রেনে নামতে দেওয়া হবে না। ফলে বাধ্য হয়েই বিমানটি মাঝরাস্তা থেকে দিল্লি ফিরে আসে।

ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইউক্রেনে প্রায় ২০ হাজার ভারতীয় নাগরিক আছেন। তার মধ্যে বহু ছাত্র আছেন। ছাত্রদেরই প্রথমে উদ্ধারের চেষ্টা চালানো হয়েছিল। ভারতীয় নাগরিকদের যাতে কোনো সমস্যা না হয়, তার জন্য ২৪ ঘণ্টার হেল্পলাইন চালু করা হয়েছে। একই সঙ্গে পূর্ব ইউক্রেন থেকে সমস্ত ভারতীয়দের দেশের অন্য শহরগুলিতে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে ক্রাইমিয়ার যুদ্ধের সময় একটি মালয়েশিয়ার বিমানে মিসাইল লেগেছিল। বহু যাত্রীর মৃত্যু হয়েছিল। রাশিয়ার মদতপুষ্ট বিচ্ছিন্নতবাদীরা এ কাজ করেছিল বলে অভিযোগ। ফের যাতে তেমন ঘটনা না ঘটে, তার জন্যই এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

এসজি/জিএইচ (পিটিআই, এনডিটিভি)