1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান
Generalsekretär der Vereinten Nationen Antonio Guterres
ছবি: Andrew Kelly/REUTERS

ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে চরম সংকটের শঙ্কা

১৪ এপ্রিল ২০২২

ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে দেখা দেয়া খাদ্য ও জ্বালানি সংকটের কারণে বিশেষ করে দেশগুলোতে ‘পারফেক্ট স্ট্রম', অর্থাৎ ভয়াবহ ঝড়ের আভাস দেখছে জাতিসংঘ৷

https://www.dw.com/bn/%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A3%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A6%B0%E0%A6%AE-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B6%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BE/a-61477994

তাই অতি সত্ত্বর ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস৷

বুধবার নিউইয়র্কে ‘গ্লোবাল ক্রাইসিস রেসপন্স গ্রুপ অন ফুড, এনার্জি অ্যান্ড ফিনান্স'-এর প্রথম প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়৷ এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, ‘‘যুদ্ধের প্রভাব সারা বিশ্বেই পড়ছে৷ প্রভাবটা পড়ছে পদ্ধতিগতভাবে৷খাদ্য খাদ্য এবং জ্বালানির ঘাটতি আর অর্থনৈতিক সংকটে ভুগছেন বিশ্বের অন্তত ১৭০ কোটি মানুষ, যাদের এক তৃতীয়াংশই এখন দারিদ্র্যে দিন কাটাচ্ছেন৷''

গুতেরেস বলেন, এই মুহূর্তে বিশ্বের অন্তত ৩৬টি দেশ ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত, কারণ ওই ৩৬টি দেশ তাদের গমের চাহিদার অর্ধেকই রাশিয়া এবং ইউক্রেন থেকে আমদানি করে৷

তিনি আরো বলেন, খাদ্য এবং জ্বালানির সংকট অনেক ‘দরিদ্র' দেশকে সামাজিক এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে, যা খুবই শঙ্কার কথা৷

জাতিসংঘ মহাসচিব মনে করেন, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ না হলে সংকট ভয়াবহ রূপ নিতে পারে, ‘‘পরিস্থিতি এমন হতে পারে আমাদের এই বিশ্ব যা হয়ত সামাল দিতে পারবে না৷তাই এখনই কিছু একটা করতে হবে আমাদের৷'' এ সময় অতি শিঘ্র ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের দাবির পাশাপাশি রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, পুনর্ব্যবহারযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনে বিনিয়োগ এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর আর্থিক সহায়তা বৃদ্ধির আহ্বানও উঠে আসে আন্তনিও গুতেরেসের বক্তব্যে৷

এসিবি/কেএম (ডিপিএ)

স্কিপ নেক্সট সেকশন ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

Bangladesch Demonstration auf Campus der Universität von Dhaka angegriffen

বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না ছাত্রলীগের

স্কিপ নেক্সট সেকশন ডয়চে ভেলে থেকে আরো সংবাদ

ডয়চে ভেলে থেকে আরো সংবাদ

প্রথম পাতায় যান