ইউক্রেন নিয়ে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে হুঁশিয়ারি ব্লিংকেনের | বিশ্ব | DW | 03.12.2021

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

অ্যামেরিকা

ইউক্রেন নিয়ে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে হুঁশিয়ারি ব্লিংকেনের

রাশিয়া ইউক্রেনের উপর আক্রমণ চালালে অ্যামেরিকা কঠোরতম ব্যবস্থা নেবে বলে জানালেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন।

সুইডেনে মিলিত হয়েছেন ইউরোপের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। আছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীও। সেখানেই বৈঠকের ফাঁকে ইউক্রেন নিয়ে আলোচনা করেছেন মার্কিন এবং রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী। আলোচনার পর ব্লিংকেন সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, রাশিয়াকে কার্যত হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

কী বলেছেন ব্লিংকেন

ব্লিংকেনের বক্তব্য, রাশিয়া যেভাবে পূর্ব ইউক্রেনের সীমান্তে সেনা জড়ো করেছে, তা যে কোনো সময় ভয়াবহ চেহারা নিতে পারে। পূর্ব ইউক্রেনের কোনো কোনো এলাকায় ছোট ছোট সংঘর্ষ হয়েছে বলে মনেও জানা গেছে। এই পরিস্থিতিতে রাশিয়া যদি উত্তেজনা বাড়ায়, তা হলে অ্যামেরিকা রাশিয়ার বিরুদ্ধে কঠোরতম অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা জারি করবে বলে ব্লিংকেন জানিয়েছেন। কার্যত অর্থনৈতিক অবরোধের হুমকি দিয়েছেন তিনি। এর আগেও ইউক্রেন প্রসঙ্গে রাশিয়ার বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিয়েছিল ওয়াশিংটন।

রাশিয়ার বক্তব্য

রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ইউক্রেনকে আক্রমণ করার পরিকল্পনা রাশিয়ার নেই। কিন্তু রাশিয়াকে নিজের দেশকে রক্ষা করতে হবে। ইউক্রেন যেভাবে সীমান্তে সেনা মোতায়েন করেছে, তার পরিপ্রেক্ষিতেই রাশিয়া সীমান্তে সেনা বাড়িয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে এদিন ন্যাটোকে তুলোধোনা করেছেন রাশিয়ার মন্ত্রী। তার বক্তব্য, ইউক্রেনে শান্তি বজায় রাখার জন্য ন্যাটোকে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, ন্যাটো তা করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ।

অ্যামেরিকাকেও পাল্টা হুমকি দিয়েছে রাশিয়া। তারা জানিয়েছে, সীমান্তে যাতে শান্তি বজায় থাকে, সে দিকে তাদের নজর আছে। কিন্তু অ্যামেরিকা যদি রাশিয়ার ভূরাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করে, তা হলে তার পরিনাম ভালো হবে না।

রাশিয়া-ইউক্রেন পরিস্থিতি

২০১৪ সালে রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যে একটি শান্তি চুক্তি সই হয়েছিল। তারপর থেকে দুই দেশ সেই অর্থে কোনো সংঘর্ষে জড়ায়নি। কিন্তু সীমান্তে উত্তেজনা আছে। দুই দেশই হাজার হাজার সেনা সীমান্তে মোতায়েন করেছে। পূর্ব ইউক্রেনে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষও হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দ্রুত শান্তির প্রস্তাব দিয়েছে অ্যামেরিকা। আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের কথা বলেছে তারা।

এসজি/জিএইচ (রয়টার্স, এপি)