ইউক্রেন থেকে জার্মান নাগরিককে নিজ দেশে চায় তুরস্ক | বিশ্ব | DW | 19.10.2017
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

তুরস্ক

ইউক্রেন থেকে জার্মান নাগরিককে নিজ দেশে চায় তুরস্ক

ইন্টারপোলের গ্রেপ্তারি পরোয়ানায় ইউক্রেনে আটক এক জার্মান নাগরিককে  পেতে চায় তুরস্ক৷ তুরস্কের দাবি, আটককৃত ব্যক্তি দু'টি হত্যকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত৷ জার্মানি তা মানতে রাজি নয়৷ তাই জার্মানি তাকে তুরস্কে ফেরত পাঠায়নি৷

জার্মানগণমাধ্যম মঙ্গলবার জানিয়েছে যে, তুরস্ক এক জার্মান নাগরিককে ইউক্রেন থেকে নিজ দেশে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে৷ তুর্কি কর্তৃপক্ষ কামাল কে.-এর বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের সহায়তায় আন্তর্জাতিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করলে গত জুলাইয়ে ইউক্রেন কর্তৃপক্ষ তাকে গ্রেপ্তার করে৷ আটক ব্যক্তির জার্মান আইনজীবীর বরাতে জার্মানির একাধিক সংবাদপত্র জানিয়েছে এই তথ্য৷

গণমাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ৫২ বছর বয়সি ওই ব্যক্তির তুর্কি এবং জার্মান পাসপোর্ট রয়েছে৷ জার্মানির কোলন শহরে তার একটি দোকান আছে৷ ধারণা করা হচ্ছে, তিনি একজন ইউক্রেনীয় নারীকে বিয়ে করেছেন এবং ব্যক্তিগত কারণে সেদেশ ভ্রমণে গিয়েছিলেন৷

ভিডিও দেখুন 01:04

তুরস্কের ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানের এক বছর

তবে বিদেশে গেলে যে তিনি গ্রেপ্তার হতে পারেন, সে ব্যাপারে নাকি জার্মান কর্তৃপক্ষ তাকে আগেই সতর্ক করেছিল৷ ইউক্রেনে গ্রেপ্তার হওয়ায় তার ভবিষ্যত এখন শঙ্কায় পড়েছে৷ তাকে তুরস্কে পাঠানো হবে কিনা সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে নভেম্বরের শেষ অবধি সময় নিতে পারে সেদেশ৷

তুরস্ক কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, কামাল কে.-কে তুরস্কে দু'টি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে৷ এমনকি তাকে ধরিয়ে দিতে পারলে সাড়ে তিন লাখ ইউরো পুরস্কার দেয়া হবে বলেও ঘোষণা করেছে সেদেশ৷ হত্যাকারী সন্দেহে ২০০৭ সালে জার্মানিতে আটক করা হয়েছিল তাকে৷ সেই সময় তিনি কয়েকমাস বাডেন ভুর্টেমবার্গ রাজ্যে বন্দি ছিলেন৷ তবে, কার্লসরুয়ের আদালত তুর্কি কর্তৃপক্ষের উল্লেখিত হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার পর্যাপ্ত প্রমাণ না পাওয়ায় তাকে তুরস্কে ফেরত পাঠায়নি৷

তুরস্কে থাকাকালে সেদেশের কমিউনিস্ট পার্টি টিকেপি/এমএলকে'র সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন কামাল৷ ২০০৭ সালে জার্মানিতে পালিয়ে আসার পর রাজনৈতিক আশ্রয় লাভ করেন তিনি৷ ২০১৬ সালে জার্মান নাগরিকত্বও লাভ করেন৷

উল্লেখ্য, এর আগে গ্রানাডায় ছুটি কাটাতে যাওয়া আরেক জার্মানকে ইন্টারপোলের মাধ্যমে তুরস্কে নিয়ে যেতে চেয়েছিল তুর্কি কর্তৃপক্ষ৷ ডোগান আখানলি নামের সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধেও হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলেছে তুরস্ক৷ তবে স্পেনের আদালত তাকে সেদেশে না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷

এআই/এসিবি (এএফপি, ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন