‘আয়রনম্যান’ হতে চান? | বিশ্ব | DW | 26.04.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

প্রবাসে সফল যারা

‘আয়রনম্যান’ হতে চান?

‘আয়রনম্যান ট্রায়াথলন’ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়ার কথা ভেবেছেন কখনো? অত্যন্ত কঠিন এই প্রতিযোগিতায় এখন পর্যন্ত গুটিকয়েক বাংলাদেশি অংশ নিয়েছেন৷ তাদের একজন সুমিত পাল৷ চলুন জেনে নেই তাঁর সাফল্যের কাহিনি৷

জার্মানির মিউনিখে বসবাসরত বাংলাদেশি-জার্মান যুবক সুমিত পাল গত কয়েক বছর ধরে এক্সট্রিম স্পোর্টস চর্চা করছেন৷ অনেক লম্বা পথ দৌঁড়ানো কিংবা সাইকেল চালানো তাঁর কাছে এখন আহামরি কঠিন কোনো ব্যাপার নয়৷ এমনকি টানা সাঁতরাতেও পারেন মাইলের পর মাইল৷

সুমিত একাধিক আয়রনম্যান ট্রায়াথলন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন৷ বিশ্বের সবচেয়ে কঠিন একদিনের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা হিসেবে পরিচিত এটি৷

আয়রনম্যান ট্রায়াথলন প্রতিযোগিতার তিনটি ধাপ থাকে৷ প্রথম ধাপে সাঁতরাতে হয় প্রায় আড়াই মাইল, এরপর সাইকেল চালাতে হয় ১১২ মাইল এবং সবশেষে ম্যারাথান দৌঁড়ে অংশ নিতে হয়, যার ব্যাপ্তি ছাব্বিশ মাইলের একটু বেশি৷ কেউ এইসব ধাপ ১৭ ঘণ্টার মধ্যে শেষ করতে পারলে তাঁকে ‘আয়রনম্যান' হিসেবে ঘোষণা করা হয়৷ প্রতিযোগিতা শুরু হয় খুব ভোরে৷

আয়রনম্যান ট্রায়াথলন প্রতিযোগিতার ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজন করা হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইতে৷ তবে বিশ্বের আরো কিছু দেশেও নানাভাবে প্রতিযোগিতাটি আয়োজন করা হয়৷ সুমিত পাল ২০১৫ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে ইউরোপে তিনটি আয়রনম্যান ট্রায়াথলন প্রতিযোগিতা সম্পন্ন করেছেন৷

Sumit Paul

হাওয়াইতে আয়রনম্যান প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের পতাকা ওড়াতে চান সুমিত পাল

২০১৫ সালে নেদারল্যান্ডসে প্রতিযোগিতাটি তিনি শেষ করেন ১৪ ঘণ্টা ৫০ মিনিটে৷ আর ২০১৬ সালে ফ্রান্সে নেন ১৩ ঘণ্টা চার মিনিট সময়৷ গতবছর হামবুর্গে আরেক প্রতিযোগিতাও তিনি সফলভাবে শেষ করেন৷ একাধিকবার আল্ট্রাম্যারাথন রেসও সম্পন্ন করেছেন এই প্রকৌশলী৷ 

এমন সফল মানুষটি কিন্তু নির্দিষ্ট কোনো লক্ষ্য নিয়ে এক্সট্রিম স্পোর্টস শুরু করেননি৷ বরং সহকর্মী আর পরিবারের উৎসাহে এই পথে যাত্রা শুরু তাঁর৷ সুমিত জানান, বাংলাদেশি হিসেবে তিনিই প্রথম এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা শেষ করতে পেরেছেন৷ তবে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত অন্য দেশিদের কথা বিবেচনায় আনলে তাঁর আগে আরেকজন এতে অংশ নিয়েছিলেন৷

প্রিয় পাঠক, আপনি কি কখনো কোনো এক্সট্রিম স্পোর্টস ইভেন্টে অংশ নিয়েছেন? লিখুন মন্তব্যের ঘরে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন