আশ্রয়প্রার্থীদের আবেদন যাচাইয়ে বেশি সময় নিচ্ছে জার্মানি | বিশ্ব | DW | 01.11.2017
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

আশ্রয়প্রার্থীদের আবেদন যাচাইয়ে বেশি সময় নিচ্ছে জার্মানি

জার্মানিতে আশ্রয়প্রার্থী শরণার্থীদের আবেদন যাচাই-বাছাই করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে অভিবাসন এবং শরণার্থী বিষয়ক কেন্দ্রীয় দপ্তর বিএএমএফ৷ দপ্তরের কর্মী সংখ্যা কমে যাওয়া কি এর কারণ হতে পারে?

চলতি বছরের শুরুর দিকের চেয়ে এখন আশ্রয়প্রার্থীদের আবেদন প্রক্রিয়াজাত করতে অনেক বেশি সময় নিচ্ছে জার্মান কর্তৃপক্ষ৷ জার্মান পত্রিকা ন্যুরেমবার্গার নাখরিশটেন জানিয়েছে এই তথ্য৷

বিএএমএফ-এর একটি অভ্যন্তরীণ ডকুমেন্টের বরাতে পত্রিকাটি জানিয়েছে যে, চলতি বছরের শুরুতে যেখানে মাসে ৫০,০০০ আবেদন যাচাই করা হতো, সেখানে এখন ১৫,০০০ থেকে ১৮,০০০ আবেদন যাচাই করা হচ্ছে৷ একেকটি আবেদন প্রক্রিয়াজাত করতে আগে যেখানে দেড় সপ্তাহের মতো সময় লাগতো, এখন সেখানে দুইমাসের বেশি লাগছে বলেও জানা গেছে৷

এমনকি, ৫২,০০০ পুরনো আবেদন, যেগুলোর মধ্যে কোনো কোনোটি ২০১৫ সালে করা হয়েছিল, এখনো সেগুলো যাচাই-বাছাই সম্ভব হয়নি বলেও জানিয়েছে পত্রিকাটি৷ অথচ কর্তৃপক্ষ আগে বলেছিল যে, ২০১৬ সালে জমা পড়া আবেদনগুলো ২০১৭ সালের মে মাসের মধ্যেই যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করা হবে৷

শরণার্থীদের জার্মান ভাষা শিক্ষা কোর্স প্রদান করার ব্যাপারেও বিএএমএফ-এর দৈনদশা ফুটে উঠেছে৷ সেপ্টেম্বর মাসে মাত্র ২৮,০০০ শরণার্থী জার্মান ভাষা শেখার সুযোগ পেয়েছেন৷ যদিও কর্তৃপক্ষ আগে জানিয়েছিল যে, ৫৬,০০০ শরণার্থীকে এই সুযোগ দেয়া হবে৷ জার্মান ভাষা শেখার সুযোগ পেতে একেকজন শরণার্থীকে গড়ে ছয় মাস অবধি অপেক্ষা করতে হচ্ছে৷

যারা ভাষা শেখার সুযোগ পাচ্ছেন, তাদের মধ্যে একটি বড় অংশ তা কাজে লাগাতে পারছেন না৷ সেপ্টেম্বরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তিন হাজার শরণার্থী কথাবার্তা বলার মতো পর্যায়ের ভাষা শিখতে সক্ষম হলেও বাকি তিন হাজার তাতে ব্যর্থ হয়েছেন৷ আর জার্মান ভাষা শিখতে যারা ভর্তি হয়েছিলেন, তাদের অর্ধেকের মতো নিয়মিত ক্লাসেই যাননি৷

প্রসঙ্গত, শরণার্থীদের আবেদন প্রক্রিয়াজাত করতে দীর্ঘ সময় লাগার পেছনে বিএএমএফ-এর লোকবল কমানোকে দায়ী করছেন কেউ কেউ৷ আগে এই দপ্তরে দশ হাজার লোক কাজ করলেও সম্প্রতি তা কমিয়ে ৭,৮০০ জন করা হয়েছে৷ বর্তমানে চাকুরিরতদের অর্ধেক অস্থায়ী চুক্তিতে কাজ করছেন৷

এআই/এসিবি (কেএনএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন