আশা বাঁচিয়ে রাখল কলম্বিয়া | খেলাধুলা | DW | 24.06.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

ফুটবল

আশা বাঁচিয়ে রাখল কলম্বিয়া

দুর্দান্ত খেলা উপহার দিয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডের আশা বাঁচিয়ে রাখল কলম্বিয়া৷ পোল্যান্ডকে তাঁরা হারিয়েছে ৩-০ গোলে৷ আর পরপর দুই ম্যাচ হেরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায়ের বাঁশি বাজলো পোলিশদের৷ 

এইচ গ্রুপে ফেবারিট ছিল দুই দলই৷ অথচ নিজেদের প্রথম ম্যাচেই উভয়কেই পরতে হয় পরাজয়ের মালা৷ তাই এই ম্যাচে জয়ের বিকল্প ছিল না পোল্যান্ড-কলম্বিয়া কারোরই৷ তাই শুরু থেকেই গোল পেতে মরিয়া হয়ে খেলে দুই দলই৷ কিন্তু পরিষ্কার আক্রমণ বলতে যা বোঝায় তেমন সুযোগই তৈরি হচ্ছিল না৷ 
কলম্বিয়ার হয়ে গত বিশ্বকাপের তারকা হামেস রদ্রিগেজ অবশ্য ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে কিছুটা এগিয়েই ছিলেন৷ শুধু প্রতিপক্ষের ডি-বক্সকে ব্যস্তই রাখছিলেন না, বল বানিয়েও দিচ্ছিলেন সতীর্থদের৷ সঙ্গ দিচ্ছিলেন ফালকাও, কুয়াদরাদোরা৷ 
তবে সাফল্য পেতে কলম্বিয়ানদের অপেক্ষা করতে হয় ৪০ মিনিট পর্যন্ত৷ এবারো রেয়াল মাদ্রিদ থেকে বায়ার্ন মিউনিখের ধার করা তারকা রদ্রিগেজ৷ চমৎকার এক চিপ-ইন করলেন বাঁ পায়ে৷ ক্রসটি প্রতিপক্ষের গোলরক্ষক থেকে দু’হাত দূরে খুঁজে পেল সতীর্থ মিনা’র মাথা৷ তাতেই কেল্লাফতে৷ ১-০ ব্যবধানে প্রথমার্ধ শেষ করে তারা৷ 


এগিয়ে থেকে দ্বিতীয়ার্ধে যতটা উজ্জীবিত ছিল কলম্বিয়ানরা, পোল্যান্ড ততটাই যেন ম্রিয়মান হয়ে গিয়েছিল৷ 
পাল্টা আক্রমনে সাদা লাল গ্যালারিতে কিছুটা উত্তেজনা তৈরি করতে পারলেও হলুদ নীলদের চিৎকারকে ছাপিয়ে যেতে পারেনি৷ ছাপিয়ে যেতে দেননি রদ্রিগেজ-ফালকাওরা৷ 
৬৮ মিনিটে কুইন্টেরোর বাড়ানো একটি বল রাইট উইং থেকে দৌঁড়ে এসে প্রতিপক্ষের জাল খুঁজে পেলেন এএস মোনাকোর হয়ে লিগ ওয়ান খেলা ফালকাও৷

ব্যবধান দ্বিগুন থেকে তিনগুন হতে বেশি সময় নেননি কলম্বিয়ানরা৷ এবারো রেয়াল তারকা হামেস রদ্রিগেজ৷ কলম্বিয়ান হাফ থেকে বল টেনে মাঝমাঠ পেরিয়ে বাম পাশ থেকে বাঁ পায়ে মাটি কামড়ানো বাঁকানো ক্রস৷ কুয়াদরাদো একটুও ভুল করেননি৷ বল পায়ে এগিয়ে গিয়ে পরাস্ত করলেন পোলিশ গোলরক্ষক চেসনিকে৷ 
ব্যবধান কমাবার চেষ্টা ছিল পোলিশদের মাঝে৷ কিন্তু বিদায়ের ঘন্টা তাদের বেজে গেলো এক ম্যাচ হাতে রেখেই৷ তবে আশা বেঁচে রইল কলম্বিয়ার৷ দুই ম্যাচ করে খেলে জাপান ও সেনেগালের পয়েন্ট হলো ৪, কলম্বিয়ার ৩, আর পোল্যান্ডের শূন্য পয়েন্ট৷ 

নির্বাচিত প্রতিবেদন