আল কায়েদা নেতা রিমিকে মারল অ্যামেরিকা | বিশ্ব | DW | 07.02.2020

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

আল কায়েদা নেতা রিমিকে মারল অ্যামেরিকা

আরব উপদ্বীপের আল কায়েদা নেতা কাসিম আল-রিমিকে মারল আ্যামেরিকা৷ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এই খবরের সত্যতা স্বীকার করে নিয়েছেন৷

এ বার ইয়েমেনে সন্ত্রাস বিরোধী অভিযান চালালো অ্যামেরিকা৷ তাদের বিমানহানায় আল কায়েদার আরব উপদ্বীপের নেতা কাসিম আল-রিমির মৃত্যু হয়েছে৷  এরপর ডনাল্ড ট্রাম্প বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছেন, ''ইয়েমেনে মার্কিন সন্ত্রাস বিরোধী অভিযান সফল হয়েছে৷ আরব উপদ্বীপে আল কায়েদার প্রতিষ্ঠাতা কাসিম আল-রিমিকে মারা সম্ভব হয়েছে৷'' কেন রিমিকে মারল অ্যামেরিকা তার যুক্তি দিয়ে ট্রাম্প বলেছেন, ''রিমির নেতৃত্বে আল কায়েদা ইয়েমেনে সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে বিবেকহীন হিংসা করেছে৷ তারা মার্কিন বাহিনীকেও বার বার আক্রমণ করেছে৷'' 

ট্রাম্পের  দাবি, ''রিমির মৃত্যুর ফলে আরব উপদ্বীপ ও বিশ্বজুড়ে আল কায়েদার শক্তি কমল৷ আর এই সন্ত্রাসবাদী সংগঠনকে নির্মুল করার দিকে আরও একটা বড় পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হল৷ এই সন্ত্রাসবাদী সংগঠন অ্যামেরিকার নিরাপত্তার সামনে বড় বিপদ হয়ে দেখা দিয়েছে৷''

ট্রাম্পের পূর্বসূরি প্রেসিডেন্ট ওবামার আমলে অ্যামেরিকা ওসামা বিন লাদেনকে পাকিস্তানে গিয়ে হত্যা করেছিল৷ লাদেন-পুত্রকে অবশ্য অ্যামেরিকা মেরেছে ট্রাম্পের আমলেই৷ তারপর আল কায়েদার আরও কয়েকজন নেতা মার্কিন হানায় মারা গিয়েছেন৷  তবে ট্রাম্পের নির্দেশে সম্প্রতি ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ডের নেতা সুলেইমানিকে মেরেছিল অ্যামেরিকা৷ সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রচুর চাপান-উতোর হয়েছে৷ ট্রাম্প বিরোধীরা অভিযোগ করেছিলেন, আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জেতার কথা মাথায় রেখে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ওই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন৷ 

গত ডিসেম্বরে আরব উপদ্বীপের আল কায়েদা জঙ্গিরা মার্কিন নৌ ঘাঁটিতে আক্রমণ শানিয়েছিল৷ তারপরই অ্যামেরিকা জানায়, তারা আল কায়েদার এই সংগঠনকে অত্যন্ত ভয়ঙ্কর জঙ্গি গোষ্ঠী বলে মনে করে৷ রিমি ১৯৯০ সালে আল কায়েদায় যোগ দিয়েছিল৷ আয়মান আল জওয়াহিরির ডেপুটি রিমি ছিল সংগঠনের অত্যন্ত প্রভাবশালী নেতা৷ ফলে এ ক্ষেত্রে ট্রাম্প অতিকথন করেননি বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা৷ রিমির মৃত্যুতে আল কায়েদা ধাক্কা খেতে বাধ্য বলে তাঁদের ধারণা৷

প্রেসিডেন্ট হওয়ার পরই রিমিকে মারতে চেয়েছিলেন ট্রাম্প৷ কিন্তু এতদিন তা সম্ভব হয়নি৷ এ জন্য অতীতে রিমির বিদ্রুপের মুখেও পড়তে হয়েছিল ট্রাম্পকে৷ অধিকাংশ বিশেষজ্ঞ মনে করেন, রিমির সংগঠন হল আল কায়েদার সব থেকে মারাত্মক শাখা৷ এই সংগঠনকে শেষ করতে অ্যামেরিকা ২০১৭তে ইয়েমেনে ১৩১ বার বিমানহানা করে, ২০১৮তে ৩৬টি বিমানহানা হয়৷  অবশেষে ২০২০তে সাফল্য পেল তারা৷ 

জিএইচ/এসজি(এএফপি, রয়টার্স, সিএনএন)

 

নির্বাচিত প্রতিবেদন