1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান
Großbritannien Ausstellung The mind as matter in London
ছবি: Courtesy of The Gordon Museum, Kings College London

আলৎসহাইমার দূরে রাখুন

১৫ জুলাই ২০১৪

জনসংখ্যা বেড়ে চলছে, আমাদের জীবনযাত্রাও হয়ে উঠছে প্রযুক্তি নির্ভর৷ ফলে শারীরিক শ্রমও কমে চলেছে৷ এই অবস্থায় আলৎসহাইমার রোগ আরও বেশি ছড়িয়ে পড়ছে৷ একদল গবেষক তা প্রতিরোধের পথ বাতলে দিচ্ছেন৷

https://www.dw.com/bn/%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A7%8E%E0%A6%B8%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%96%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5-%E0%A6%9C%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE/a-17785158

ভুলে যাওয়া স্বাভাবিক৷ আমরা সবাই প্রায় প্রতিদিন কত কিছুই না ভুলে যাই৷ কিন্তু স্মৃতিশক্তি ধীরে ধীরে উধাও হয়ে গেলে বিষয়টি বেশ মর্মান্তিক – এমনকি মারাত্মক হয়ে উঠতে পারে৷ আলৎসহাইমার এমনই এক রোগ৷ শারীরিকভাবে সুস্থ, সবল মানুষের জীবনও প্রায় অর্থহীন করে তুলতে পারে এই রোগ৷ কাছের মানুষের পরিচয়ও মনে থাকে না৷ কিছু রোগীর ক্ষেত্রে বিষয়টি বংশগত, অন্যরা পারিপার্শ্বিক প্রতিকূলতার শিকার৷

কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষকের হিসাব অনুযায়ী ২০৫০ সালের মধ্যে প্রায় ১০ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষ আলৎসহাইমার রোগে আক্রান্ত হবেন৷ ২০১০ সালে এই সংখ্যা ছিল ৩ কোটি৷ এমন এক পরিস্থিতি এড়াতে এই রোগ প্রতিরোধের পথ খোঁজা হচ্ছে৷

কেমব্রিজের গবেষকদের মতে, কোনো কড়া ওষুধ বা কঠিন ব্যায়াম নয়, দৈনন্দিন জীবনযাত্রার মধ্যে সামান্য রদবদল ঘটিয়েই নাকি স্মৃতিভাণ্ডার স্বাভাবিক রাখা সম্ভব৷ গবেষকদলের প্রধান ক্যারল ব্রেন সাত রকমের ঝুঁকি চিহ্নিত করেছেন, যেগুলি আলৎসহাইমার রোগের উৎস হিসেবে পরিচিত৷ এগুলি হলো ডায়াবেটিস, মাঝবয়সি মানুষের ক্ষেত্রে হাইপার-টেনশন এবং স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি মোটা হওয়ার প্রবণতা, শারীরিক শ্রমের অভাব, ডিপ্রেশন বা অবসাদ, ধূমপান এবং শিক্ষার অভাব৷

২০১১ সালের একটি গবেষণা অনুযায়ী আলৎসহাইমারের প্রতি দুটি ঘটনার মধ্যে একটি প্রতিরোধ করা সম্ভব৷ সে ক্ষেত্রে ঝুঁকিগুলির মাত্রা মাত্র ১০ শতাংশ কমালেই ২০৫০ সালের মধ্যে ৮.৫ শতাংশ ক্ষেত্রে আলৎসহাইমার প্রতিরোধ করা সম্ভব৷

সাম্প্রতিকতম প্রতিবেদনে অবশ্য এই ঝুঁকিগুলির মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্কের বিষয়টিরও উল্লেখ করা হয়েছে৷ যেমন অনেক ক্ষেত্রে শারীরিক শ্রমের অভাবের কারণেই ডায়াবেটিস, হাইপার-টেনশন বা মোটা হওয়ার প্রবণতা দেখা যায়৷ ফলে চিকিৎসাবিদ্যার সঙ্গে জড়িত একাধিক মহল শুধু অঙ্কের হিসেবে এমন রোগ সম্পর্কে কোনো সিদ্ধান্তে আসতে নারাজ৷

এসবি/জেডএইচ (এএফপি)

স্কিপ নেক্সট সেকশন ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

Bangladesch | Dhaka Karwan Market

৩৬ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা কি আইওয়াশ?

স্কিপ নেক্সট সেকশন ডয়চে ভেলে থেকে আরো সংবাদ
প্রথম পাতায় যান