আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধান চায় চীন-রাশিয়া | বিশ্ব | DW | 19.09.2017
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধান চায় চীন-রাশিয়া

একের পর এক ক্ষেপনাস্ত্র পরীক্ষা করে পরিস্হিতি ঘোলাটে করে তুলেছে উত্তর কোরিয়া৷ জাতিসংঘে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাষণেও এ বিষয়টি গুরুত্ব পাবে৷ তবে চীন ও রাশিয়া্ মনে করে, বিষয়টির সমাধান হতে হবে আলোচনার ভিত্তিতে৷ 

উত্তর কোরিয়ার সর্বশেষ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার পর জাপান তার উত্তরের দ্বীপ হোক্কাইডোতে মঙ্গলবার একটি অতিরিক্ত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা স্থাপন করছে৷ জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ‘‘হোক্কাইডোর দক্ষিণ প্রান্তে গ্রাউন্ড সেফ-ডিফেন্স ফোর্সের বেসে জরুরি অবস্থার প্রস্তুতির অংশ হিসাবে আমরা একটি পিএসি-৩ ইউনিট স্থাপন করছি৷''         

এক মাসের কম সময়ের মধ্যে পিয়ংইয়ংয়ের ষষ্ঠ পারমাণবিক পরীক্ষা চালানো এবং জাপানের উপর দিয়ে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়ায় কোরীয় উপদ্বীপে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়৷ ‘ভবিষ্যতে আবারও জাপানের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র  পরীক্ষা করা হতে পারে বলেও জানিযেছে উত্তর কোরিয়া৷দেশটি জানিয়েছে, জনগণের নিরাপত্তার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেবে তারা৷ 

 এদিকে, চীন ও রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রীরা জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের আগে কোরীয় উপদ্বীপের উত্তেজনা শান্তিপূর্ণভাবে অবসান করার আহবান জানিয়েছেন৷ চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এবং রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভারভ পিয়ংইয়ংয়ের পারমাণবিক কর্মসূচির এখনকার অবস্থান সম্পর্কে ‘শান্তিপূর্ণ সমাধান' খোঁজার জন্য সব পক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন৷

‘‘কোরীয়ান উপদ্বীপের পারমাণবিক সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান হওয়া উচিত'' বলেন ওয়াং৷ একইসাথে যোগ করেন,‘‘এখনকার এই বিপদজনক চক্র ভাঙা খুব জরুরি হয়ে পড়েছে৷'' জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে শান্তি আলোচনা পুনর্বহাল করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের ওপরও জোর দেন তিনি৷

এছাড়া, রাশিয়ার মুখপাত্র বলেছেন, এ বিষয়ে রাশিয়ার অবস্থানও ‘পুরোপুরি একরকম'৷ অন্যদিকে, হোয়াইট হাউস আগেই জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে ফোন করে বলেছিলেন, দুই নেতা ‘জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্তের জোরালো প্রয়োগের মাধ্যমে উত্তর কোরিয়ার উপর সর্বোচ্চ চাপ তৈরি করবেন৷ তবে ট্রাম্প সামরিক অভিযানের সম্ভাবনাও নাকচ করেননি৷

এএম/ এসিবি ()

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন