আর্মেনিয়া-আজারবাইজানের লড়াইয়ে তুরস্কের ইন্ধন! | বিশ্ব | DW | 01.10.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

আর্মেনিয়া-আজারবাইজানের লড়াইয়ে তুরস্কের ইন্ধন!

দুই দেশের লড়াইয়ে তুরস্ক ইন্ধন দিচ্ছে বলে কোনো কোনো মহল মনে করছে। অন্যদিকে, রাশিয়ার শান্তি প্রস্তাব খারিজ করেছে দু'টি দেশই।

নাগর্নো-কারাবাখের দখল নিয়ে আর্মেনিয়া-আজারবাইজানের যুদ্ধ অব্যাহত। বৃহস্পতিবারেও যুযুধান দুই দেশ ক্রমাগত শেলিং করে গিয়েছে। নাগর্নো-কারাবাখের বহু বাড়ি ভেঙে পড়েছে। মৃতের সংখ্যা লাফিয়ে বাড়ছে। এখনো পর্যন্ত শতাধিক মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। তার মধ্যে বহু সাধারণ মানুষও আছেন। এরই মধ্যে বুধবার রাশিয়া দুই দেশের মধ্যে শান্তি আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজানের সরকার তাতে রাজি হয়নি।

তুরস্ক কি আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজানের সাম্প্রতিক যুদ্ধে ইন্ধন দিচ্ছে? যত দিন যাচ্ছে, ততই এই প্রশ্নটি সামনে চলে আসছে। মঙ্গলবার আর্মেনিয়া অভিযোগ করেছিল, তুরস্কের এফ১৬ যুদ্ধবিমান তাঁদের বায়ুসেনার বিমান ধ্বংস করেছে। বুধবার ফের তারা দাবি করেছে, তুরস্কের যুদ্ধবিমান দিনভর আর্মেনিয়ার এয়ার স্পেসে বিপজ্জনক ভাবে ঘুরে বেড়িয়েছে। তুরস্ক অবশ্য কোনো অভিযোগই স্বীকার করেনি। তবে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিচেপ তাইয়েপ এর্দোয়ান বলেছেন, আজারবাইজানের উচিত নাগর্নো-কারাবাখ দখল করে আর্মেনিয়াকে শিক্ষা দেওয়া। তার জন্য তুরস্ক আজারবাইজানকে সাহায্য করতে প্রস্তুত।

বিশেষজ্ঞদের অনেকেরই ধারণা, তুরস্ক সরাসরি যুদ্ধে নেমে পড়লে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ চেহারা নেবে। অন্য দিকে, রাশিয়া বুধবার দুই দেশকে আলোচনার টেবিলে আসার আহ্বান জানায়। রাশিয়ার পক্ষ থেকে বলা হয়, যুদ্ধ থামিয়ে দুই দেশের বিদেশমন্ত্রী রাশিয়ার মধ্যস্থতায় আলোচনায় বসুক। কিন্তু আজারবাইজান এবং আর্মেনিয়া-- কোনো দেশই এই প্রস্তাবে কর্ণপাত করেনি। আজারবাইজানের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আর্মেনিয়া নাগর্নো-কারাবাখ থেকে সরে গেলেই তারা শান্তি প্রক্রিয়ায় অংশ নেবে। তার আগে পর্যন্ত যুদ্ধ প্রক্রিয়া জারি থাকবে। আর্মেনিয়াকে শিক্ষা দেওয়া হবে। অন্য দিকে আর্মেনিয়াও জানিয়েছে, আজারবাইজান তাদের এলাকা দখল করার চেষ্টা চালাচ্ছে। তাদের উচিত জবাব দেওয়া হবে।

দীর্ঘ দিন ধরে নাগর্নো-কারাবাখ নিয়ে আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজানের দ্বন্দ্ব। তবে ১৯৯৪ সালে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতির চুক্তি হয়। সেই চুক্তি লঙ্ঘন করেই দুই দেশ যুদ্ধ শুরু করে দিয়েছে। নাগর্নো-কারাবাখ এখনো মুক্তাঞ্চল। সেখানে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের প্রশাসনও রয়েছে। তাদের বক্তব্য, দুই তরফ থেকেই তাদের এলাকার উপর আক্রমণ হচ্ছে। আজারবাইজান ড্রোন ব্যবহার করে গোলাবর্ষণ করছে বলেও অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হবে বলেই তারা মনে করছে।

এসজি/জিএইচ (রয়টার্স, এএফপি)

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন