আর্মেনিয়ায় আবার জিতছেন পাশিনয়ান | বিশ্ব | DW | 21.06.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

আর্মেনিয়া

আর্মেনিয়ায় আবার জিতছেন পাশিনয়ান

আর্মেনিয়ার পার্লামেন্ট নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনয়ানই জিতছেন।

আর্মেনিয়ায় পাশিনয়ান বিরোধী বিক্ষোভ।

আর্মেনিয়ায় পাশিনয়ান বিরোধী বিক্ষোভ।

বিরোধীরা বলছে, ভোটে প্রবল কারচুপি হয়েছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী পাশিনয়ান তা মানতে নারাজ। তিনি ইতিমধ্যেই দাবি করেছেন, তিনি জিতে গেছেন। প্রাথমিক ফলাফলও তাই বলছে। আর্মেনিয়ায় আবার ক্ষমতায় আসতে চলেছেন নিকোল পাশিনয়ানই।

পাশিনয়ান বলেছেন, মানুষ তাকে ও তার দলকে আবার ক্ষমতায় দেখতে চাইছে। তাই তারা এই রায় দিয়েছে। আর্মেনিয়ার নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ৩২ শতাংশ ইলেকটোরাল ডিস্ট্রিক্টের ফলাফল গণনা করা হয়েছে। তাতে পাশিনয়ানের দল সিভিল কনট্র্যাক্ট পার্টি ৫৮ দশমিক পাঁচ শতাংশ ভোট পেয়েছে।

দ্বিতীয় স্থানে আছে সাবেক প্রেসিডেন্ট রবার্ট কোছারয়ানের দল আর্মেনিয়া অ্যালায়েন্স পার্টি। তারা ১৯ শতাংশ ভোট পেয়েছে। সাবেক প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত চলছে এবং তিনি রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ নেতা।

বিরোধী দলের দাবি, তাদের সমাবেশে প্রচুর মানুষ যোগ দিয়েছিলেন। আর ক্ষমতাসীন দলের মিটিং খুব ছোট হয়েছে। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, উল্টো ফল হলো। ফলে বোঝা যাচ্ছে, নির্বাচনে কতটা কারচুপি করেছে ক্ষমতাসীন দল।

আরেকটি দল সংসদে আসন পেতে পারে। তারা হলো ব্যবসায়ী গাগিকের দল, তারা পাঁচ শতাংশ ভোট পেয়েছে।

কেন অকাল নির্বাচন

গত নভেম্বরে আজারবাইজানের সঙ্গে শান্তিচুক্তি করার পর থেকে আর্মেনিযায় প্রবল বিক্ষোভ হয়েছে। রাশিয়ার মধ্যস্থতায় এই চুক্তি হয়েছে। তার ফলে নাগর্নো-কারাবাখ থেকে আর্মেনিয়ার সেনাকে সরে আসতে হয়েছে। এরপর হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। পাশিনয়ান তখন মধ্যবর্তী নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেন।

 ২৬ লাখ বৈধ ভোটদাতার জন্য মোট দুই হাজার ভোটকেন্দ্র ছিল। এই নির্বাচনের দিকে রাশিয়া, তুরস্ক সহ অনেক পশ্চিমা দেশই তাকিয়ে ছিল।

২০টি রাজনৈতিক দল ও চারটি ইলেকটোরাল ব্লক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে। কিন্তু লড়াইটা ছিল পাশিনয়ানের দলের সঙ্গে আর্মেনিয়া অ্যালায়েন্স পার্টির। 

৪৬ বছর বয়সী পাশিনয়ান ২০১৮ সালে ক্ষমতায় এসেছিলেন। কিন্তু শান্তিচুক্তির পর তার জনপ্রিয়তা নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন দেখা দেয়। পাশিনয়ান বলেছিলেন, এই চুক্তি জরুরি ছিল। না হলে আর্মেনিয়ার আরো ক্ষয়ক্ষতি হতে পারত। আর আর্মেনিয়া অ্যালায়েন্স পার্টির প্রতিশ্রুতি ছিল, জিততে পারলে তারা নাগর্নো-কারাবাখ নিয়ে আবার আলোচনা করবে। হেরে যাওয়ার পর তারা বলছে, ভোটে রিগিং করে জিতছেন পাশিনয়ান।

জিএইচ/এসজি(এএফপি, ডিপিএ)