আমি ও কিম বন্ধু হলে তা হবে সুন্দর বন্ধুত্ব: ট্রাম্প | বিশ্ব | DW | 12.11.2017
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অ্যাপেক সম্মেলন

আমি ও কিম বন্ধু হলে তা হবে সুন্দর বন্ধুত্ব: ট্রাম্প

দক্ষিণ চীন সাগরে উত্তেজনা নিরসনে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিজের প্রশংসা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট৷ কিন্তু উত্তর কোরিয়ার ব্যাপারে তাঁর পক্ষ থেকে কূটনৈতিক উদ্যোগ নেই৷ বরং পিয়ংইয়ং-এর সঙ্গে বিবাদে জড়াচ্ছেন বারবার৷

ভিয়েতনামে এশিয়া প্যাসিফিক ইকোনমিক কোঅপারেশন (এপিইসি) বা অ্যাপেক সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প৷ সম্মেলনের এক পর্যায়ে রবিবার কিছুটা সময় তিনি বের করে নেন উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে জবাব দেয়ার জন্য, যিনি তাঁরে ‘বুড়ো উন্মাদ' বলে উল্লেখ করেছিলেন৷ দক্ষিণ কোরিয়ায় ট্রাম্পের সফরের আনুষ্ঠানিক নিন্দা জানিয়েছে উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়৷ মার্কিন প্রেসিডেন্ট উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে অযৌক্তিক মন্তব্য করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন তারা৷ তাদের দাবি, কোরীয় উপদ্বীপে উত্তেজনা বাড়াতেই ট্রাম্প সউল সফর করেছেন৷

তাদের এই অভিযোগের জের ধরেই ট্রাম্পের পাল্টা জবাব৷ ট্রাম্প টুইটারে লিখেছেন, তাকে ‘বৃদ্ধ' বলে অপমান করলেও তিনি কখনোই উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনকে ‘খাটো ও মোটা' বলবেন না৷ তিনি লিখেছেন, ‘‘কিম জং উন কেন আমাকে ‘বুড়া' বলে অপমান করেছেন, অথচ আমি কিন্তু তাঁকে কখনোই ‘খাটো ও মোটা' বলিনি! আমি তাঁর বন্ধু হতে খুব চেষ্টা করছি, হয়ত কোনো একদিন তা হবো৷'' এক টুইটে বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট৷



পরে ট্রাম্প বলেন, ‘‘আমি ও কিম যদি বন্ধু হয়ে উঠি তাহলে ‘তা হবে খুব, খুব সুন্দর'৷ খুব অদ্ভুত ঘটনা হলেও এমনটি হতেও তো পারে!''

অ্যাপেক সম্মেলনে অন্যতম আলোচ্য বিষয় উত্তর কোরিয়াকে পারমাণবিক কর্মসূচি থেকে বিরত রাখার ব্যাপারে উদ্যোগ নেয়া৷ মার্কিন প্রেসিডেন্টের ধারাবাহিক টুইটে পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির জন্য পিয়ংইংয়ের ওপর চীন ‘নিষেধাজ্ঞার মাত্রা বাড়াবে' বলেও মন্তব্য করা হয়েছে৷ চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং পিয়ংইয়ংকে ‘পারমাণবিক শক্তিধর' দেশ হিসেবে দেখতে চায় না বলেও দাবি করেছেন ট্রাম্প

গত সপ্তাহে ট্রাম্পের বেইজিং সফরের সময় শি কোরীয় উপদ্বীপকে ‘পারমাণবিক অস্ত্রমুক্তকরণে' কাজ করবেন বলে জানিয়েছিলেন৷ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উত্তর কোরিয়ার ধারাবাহিক পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি যুক্তরাষ্ট্রের আশংকার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে৷ কিম জং উনের সঙ্গে ট্রাম্পের পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দুই দেশের উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে৷

চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে ট্রাম্পকে ‘যুক্তরাষ্ট্রের মানসিকভাবে অবসন্ন ভীমরতিতে পাওয়া বুড়ো' বলে সম্বোধন করে তাঁকে আগুনে ঝলসে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন কিম৷

এদিকে, রবিবার হ্যানয়ে ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে এক বৈঠকে দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে ভিয়েতনাম ও চীনের মধ্যে মধ্যস্থতা করার প্রস্তাবও দিয়েছেন ট্রাম্প৷ নিজেই নিজের প্রশংসা করে বলেছেন, ‘আমি একজন ভালো মধ্যস্থতাকারী এবং আলোচক৷'

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভিয়েতনামের বাণিজ্য নেতাদের সঙ্গেও আলোচনা করেছেন৷ প্রাকৃতিক গ্যাস, তেল, অন্যান্য সামগ্রী কেনা-বেচার কথার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য অস্ত্র তৈরির উপকরণ কেনার আহ্বানও জানিয়েছেন তাদের৷ তিনি বলেছেন, এগুলো হলো বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র, যা কিনলে বাণিজ্যে এক ধরনের সমতা আসতে বাধ্য৷


এপিবি/ডিজি (এপি, এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন