আমাদের বিবাহ বার্ষিকী | পাঠক ভাবনা | DW | 20.05.2011
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পাঠক ভাবনা

আমাদের বিবাহ বার্ষিকী

পশ্চিমবঙ্গের বিধান সভা নির্বাচনের ওপর ডয়চে ভেলের নানা খবর শুনে ও পড়ে অনেক তথ্য জেনে ভালো লাগলো৷ ধন্যবাদ ডয়চে ভেলে পরিবারের সকলকে৷ প্রদীপ বসাক, হাটশিমলা, সমুদ্রগড়, বর্ধমান৷

default

আজ আমাদের দশম বিবাহ বার্ষিকী, এই উপলক্ষ্যে ডয়চে ভেলে পরিবারের সকলকে আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানাই৷ বিধান সান্যাল, বালুর ঘাট, দক্ষিণ দিনাজপুর৷

পত্রে আমার সালাম নেবেন৷ আশা নয় বিশ্বাস সবাই মিলে ভাল আছেন, আমিও ভাল আছি৷ শ্রেষ্ঠও কর্মমুখর ক্লাবের নাম ঘোষণা করতে অনেক দেরি হয়ে যাচ্ছে৷ কারণ যারা এ পুরস্কার পাওয়ার উপযুক্ত তারা আর কত দিন অপেক্ষা করবে৷ আর তারা অনেক লেখালেখির পর একটি পুরস্কার পায় তাই তাদের পুরস্কার একটু ভাল মানের দেবেন৷ ডয়চে ভেলের মঙ্গল কামনা করেই বিদায় নিলাম৷ শুভেচ্ছান্তে, এমএ রশিদ চৌধুরী, ব্লু স্কাই রেডিও লিসেনার্স ক্লাব, চৌধুরী পাড়া, আজম পুর, কুষ্টিয়া, বাংলাদেশ৷

আমার ভালোবাসা নেবেন৷ আপনাদের অনুষ্ঠান আমার ভীষণ ভালো লাগে৷ আপনারা সবসময় জানতে চান, আমরা ভালো আছি কিনা, যা আমার ভালো লাগে আর তাই জানাই আমি সত্যিই ভালো আছি৷ আমি অনেক পুরনো শ্রোতা৷ সাব্বির আহমেদ, শ্যামনগর, নওদা, মুর্শিদাবাদ৷

আপনাদের প্রতিটি অনুষ্ঠানই ভালো লাগে৷ মিডিয়াম ওয়েভে রাতের অনুষ্ঠান নিয়মিত শুনি৷ তবে শ্রবণমান আরো উন্নত হওয়া প্রয়োজন৷ সকালের অনুষ্ঠান মিস করছি সেজন্য ভালো লাগেনা৷ প্রস্তাব, সকালের অধিবেশন বন্ধ করে রাতের অনুষ্ঠান এক ঘন্টা করুন তাহলে পুরো অনুষ্ঠানই শুনতে পেতাম৷ ইয়াসমীন খাতুন, শাহাবাজার, হুগলী, ভারত৷

আমাদের এখান থেকে মিডিয়াম ওয়েভে ডয়চে ভেলের অনুষ্ঠান খুবই অস্পষ্ট শোনা যায়৷ রেডিওতে কান লাগিয়ে কিছুটা বুঝতে পারি৷ শুভেচ্ছা রইলো৷ কামাখ্যা চরণ চক্রবর্তী, খগড়া বাড়ি, কোচবিহার, ভারত৷

আমি আপনাদের অনুষ্ঠান গত ৭/৮ বছর যাবত খুবই নিষ্ঠার সাথে শুনে আসছি৷ ডয়চে ভেলে থেকে প্রচারিত বিশ্বসংবাদ এবং অন্যান্য খবরে আমার পূর্ণ বিশ্বাস৷ আগে অনুষ্ঠান শুনে নিয়মিত পত্রালাপ করতাম৷ আজকাল সময়াভাবে অনুষ্ঠান শোনা অনিয়মিত হয়ে গেছে আর চিঠি লেখা কদাচিৎ সম্ভব হচ্ছে৷ আপনাদের অনুষ্ঠানের দীর্ঘায়ু কামনা করছি৷ রমেশ সরদার, জয়নগর, ২৪ পরগনা, ভারত৷

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা:আবদুল্লাহ আল-ফারূক