1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

আবার হার মানতে হলো বিন হাম্মাম’কে

৩ অক্টোবর ২০১১

একের পর এক ব্যর্থতার মুখ দেখতে হচ্ছে কাতারের মহম্মদ বিন হাম্মাম’কে৷ ফিফা’র শীর্ষ পদে পৌঁছনোর বদলে তিনি ফুটবল জগতে একেবারে একঘরে হয়ে পড়েছেন৷

https://p.dw.com/p/12kw1
মহম্মদ বিন হাম্মামছবি: AP

হতে চেয়েছিলেন ফিফা'র সর্বময় কর্তা৷ দুর্নীতির সরে দাঁড়াতে হলো৷ ছিলেন এশীয় ফুটবল সংগঠনের প্রধান৷ সেই পদও ছেড়ে দিতে হলো৷ শুধু তাই নয়, ভোট কেনার চেষ্টা করায় সারা জীবনের জন্য তাঁর উপর নিষেধাজ্ঞা চাপানো হলো৷ এর পরেও দমে যেতে রাজি নন মহম্মদ বিন হাম্মাম৷ নিজের নাক কেটে পরের যাত্রা ভঙ্গ করতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি৷ এশীয় ফুটবল সংগঠনে নিজের উত্তরসূরী চীনের ঝাং জিলং'এর নিয়োগ বন্ধ করতে ক্রীড়া আদালতে অভিযোগ জানিয়েছিলেন৷ সুইজারল্যান্ড'এর লোসান শহরে অবস্থিত সেই আদালত সোমবার বিন হাম্মাম'এর আনা সেই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে৷

ঝাং জিলং'এর বিরুদ্ধে বিন হাম্মাম'এর এই রোষের কারণ বোঝা কঠিন নয়৷ গত মে মাসে ফিফা'র এথিকস কমিটি যখন বিন হাম্মাম'কে ফুটবল জগত থেকে একঘরে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, তখন ঝাং জিলং'কে এশীয় ফুটবল সংগঠনের অস্থায়ী প্রধান হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছিল৷ এশীয় ফুটবল সংগঠন এই রায়ে সন্তুষ্ট হয়ে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা অক্ষরে-অক্ষরে নিয়ম মেনে জিলং'কে অস্থায়ী প্রধান করেছিল৷

এটাই বিন হাম্মাম'এর প্রথম পরাজয় নয়৷ তিনি নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার যে সুযোগ চেয়েছিলেন, গত মাসে সেই আর্জিও নাকচ করা হয়েছে৷ ফলে ফিফা'র চাপানো আজীবন নিষেধাজ্ঞার কালো ছায়া থেকে তাঁর বেরিয়ে আসা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়েছে৷ বিন হাম্মাম এখনো দাবি করে চলেছেন, যে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন তিনি৷ ৬২ বছর বয়স্ক কাতারের এই নাগরিক সেপ ব্লাটার'কে হারিয়ে ফিফা'র শীর্ষ পদ দখল করার যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, আজ তা দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে৷

প্রতিবেদন: সঞ্জীব বর্মন

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

স্কিপ নেক্সট সেকশন এই বিষয়ে আরো তথ্য

এই বিষয়ে আরো তথ্য