আবার পরমাণু পরীক্ষা করলো উত্তর কোরিয়া | বিশ্ব | DW | 09.09.2016
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

আবার পরমাণু পরীক্ষা করলো উত্তর কোরিয়া

বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক অঞ্চলে আবার উত্তেজনা৷ উত্তর কোরিয়া পঞ্চম ও এ পর্যন্ত সবচেয়ে শক্তিশালী পরমাণু পরীক্ষা করলো৷ সে দেশের ঘনিষ্ঠ সহযোগী চীনও এই পরীক্ষার নিন্দা করেছে৷

দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান সহ বিভিন্ন দেশের সিজমিক পরিমাপ যন্ত্রে ভূ-কম্পন টের পেয়েই সন্দেহ হয়েছিল৷ তার উৎস আবার উত্তর কোরিয়ার পরমাণু পরীক্ষার এলাকার কাছাকাছি৷

লাওস-এ এশিয়ার শীর্ষ নেতাদের সম্মেলনের শেষে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট পার্ক গুন হে জানান, উত্তর কোরিয়া আবার পরমাণু পরীক্ষা করেছে৷ তিনি বলেন, উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন ‘উন্মাদের মতো বেপরোয়া' হয়ে উঠেছেন৷ গোটা বিশ্ব যখন পরমাণু অস্ত্র বর্জনের ডাক দিচ্ছে, তখন তিনি তা সম্পূর্ণ উপেক্ষা করছেন৷

পরে উত্তর কোরিয়াও এই ‘সফল' পরীক্ষার কথা সগর্বে ঘোষণা করে৷ রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আরও জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়া ব্যালেস্টিক রকেটের উপর পরমাণু অস্ত্র বসানোর ক্ষমতা অর্জন করেছে৷ ১৯৪৮ সালে প্রজাতন্ত্র হিসেবে রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে এই পরীক্ষা চালানো হলো বলে অনেক পর্যবেক্ষক মনে করছেন৷

উল্লেখ্য, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে সে দেশ চতুর্থবার পরমাণু পরীক্ষা চালিয়েছিল৷ সোমবারই প্রতিবেশী দেশ চীনে জি-টোয়েন্টি শীর্ষ সম্মেলনের সময় তিনটি মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করে উত্তর কোরিয়া৷ ২০০৬ সালে প্রথম পরমাণু পরীক্ষার পর উত্তর কোরিয়ার উপর নিরাপত্তা পরিষদ সে দেশের উপর নিষেধাজ্ঞা চাপায়৷ একের পর এক নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও উত্তর কোরিয়া পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে৷

বলা বাহুল্য, এই ঘটনা তীব্র সমালোচনার ঝড় তুলেছে৷ মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এর গুরুতর পরিণামের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন৷ তিনি দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন৷

এমনকি উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক সত্ত্বেও চীন চরম অস্বস্তিতে পড়েছে৷ চিনের সরকার স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছে, সে দেশ উত্তর কোরিয়ার পরমাণু পরীক্ষার ঘোরতর বিরোধী৷ এর আগে সব পক্ষের উদ্দেশ্যে সংযমের ডাক দিয়ে চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা মন্তব্য করেছিল, যে এই কাজ মোটেই ‘বিচক্ষণতা'-র পরিচয় নয়৷ অন্যদিকে শিনহুয়া মনে করে, দক্ষিণ কোরিয়া মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা বসানোর যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তার ফলেও আঞ্চলিক কৌশলগত ভারসাম্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে৷

এসবি/এসিবি (রয়টার্স, এএফপি, ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন