আবারো হরতাল, সাধারণের আরো একটি কষ্টের দিন | বিশ্ব | DW | 29.05.2013
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

আবারো হরতাল, সাধারণের আরো একটি কষ্টের দিন

বিএনপিসহ বিরোধী ১৮ দলের বুধবার ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পরিসংখ্যান বাড়াচ্ছে মাত্র৷ হরতালকে সরকার যেমন গুরুত্ব দেয় না, মাঠে থাকে না বিরোধী দলও৷ হরতালের আগে এবং হরতালের সময় কিছু গাড়ি ভাঙচুর অথবা হঠাত্‍ নাশকতার ঘটনা ঘটে৷

চলতি বছরে মে মাস পর্যন্ত সারা দেশে হরতাল হয়েছে মোট ৩২ দিন আর এ সময় নিহত হয়েছেন অন্তত ৮৯ জন৷ এছাড়া, হরতালের সহিংসতায় আহত হয়েছেন আরো ১,৫৭৪ জন৷ তবে হরতালের বাইরে রাজনৈতিক সহিংসতা মিলিয়ে নিহতের সংখ্যা ১৯২ জন৷ আর আহত হয়েছেন ৩,৪০০ জন৷

এর সঙ্গে সঙ্গে সাধারণ মানুষ এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের ক্ষতির হিসেব করলে তা কয়েক হাজার কেটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে৷ এত ক্ষতির পরও রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানের কোনো লক্ষণ নেই৷ বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা শাসুজ্জামান দুদু ডয়চে ভেলেকে বলেন, তারাও হরতাল দিতে চান না৷ হরতালে মানুষের কষ্ট হয়৷ কিন্তু এছাড়া তাদের কোনো পথ নেই৷ সরকারই যে তাদের বাধ্য করছেন হরতাল দিতে৷ শুধু তাই নয়, সরকার তাদের সভা-সমাবেশও করতে দিচ্ছে না ৷

এর জবাবে আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আফজাল হোসেন ডয়চে ভেলেকে জানান, বিরোধী দল বিএনপিকে সরকার অতীতে কোনো সভা-সমাবেশ করতে বাধা দেয়নি৷ কিন্তু তারা রাজনৈতিক আন্দোলনের নামে সহিংসতা শুরু করেছে৷ মৌলবাদী শক্তিকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশকে একটি তালেবানি রাষ্ট্র বানানোর ষড়যন্ত্র করছে৷ সরকার সেটা হতে দিতে পারে না৷ তিনি বলেন, বিএনপির হরতালে দেশের মানুষের সমর্থন নেই৷ তারা সহিংসতার মাধ্যমে ভয় দেখিয়ে মানুষকে হরতালের নামে গৃহবন্দি রাখতে চাইছে৷ সরকারের দায়িত্ব যেমন নাগরিকদের জানমালের নিরপত্তা দেয়া, তেমনি বিরোধী দলেরও দায়িত্ব নাগরিকদের ক্ষতির কারণ হয় এমন কোনো কর্মসূচি না দেয়া৷

এদিকে সুশাসনের জন্য নাগরিক বা সুজনের প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার ডয়চে ভেলেকে বলেন, সরকার বা বিরোধী দল কেউই সাধারণ মানুষের কষ্ট বুঝতে চায়না৷ তারা বুঝতে চায় ক্ষমতা৷ কিন্তু সাধারণ মানুষকে পিষ্ট করে ক্ষমতার এই রাজনীতি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়৷ তিনি বলেন, বিরোধী দলকে অবশ্যই হরতালের বিকল্প খুঁজতে হবে৷ আর সরকারকে বিরোধী দলের রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে৷ জনগণকে নিরপাদ রাখা সরকার এবং বিরোধী দল উভয়েরই দায়িত্ব, বলেন তিনি৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন