আবারো সহিংস গাজা উপত্যকা | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 09.08.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

ইসরায়েল-ফিলিস্তিন

আবারো সহিংস গাজা উপত্যকা

আবারো সহিংস হয়ে উঠেছে গাজা উপত্যকা৷ বুধবার রাতে সেখানে উপর্যুপরি বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল৷ এতে এক শিশুসহ তিনজন নিহত হয়েছেন৷

ফিলিস্তিনি হামাস বাহিনীর রকেট বোমা হামলার জবাবে ইসরায়েল এই হামলা চালায়৷ প্রায় দেড়শ' রকেটের বেশিরভাগই খোলা জায়গায় পড়ে৷ তবে অন্তত দু'টি আঘাত হেনেছে গাজা থেকে মাইলখানেক দূরের ইসরায়েলি শহর স্ডেরটে৷ এতে বাসিন্দাদের আশ্রয়কেন্দ্রে যাবার জন্য পুরো শহরে রাতভর অ্যালার্ম বাজতে থাকে৷

ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানায়, এ সব রকেট হামলায় অন্তত চারজন আহত হন৷ এর মধ্যে একজন থাই নারীও আছেন৷

এদিকে হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইসরায়েলের পালটা হামলায় নিহতদের মধ্যে এনাস খামাশ নামের এক ২৩ বছর বয়সি নারী ও তাঁর ১৮ মাসের এর শিশুসন্তান রয়েছেন৷ ঐ নারীর স্বামী আহত হন৷ কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে যে, খামাশ গর্ভবতী ছিলেন৷

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আরো জানায়, বিমান হামলায় এক হামাস সদস্যও নিহত হন৷ এছাড়া আহত হন আরো ১২ জন৷

দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধবিরতির জন্য জাতিসংঘ ও মিশরের অব্যাহত প্রচেষ্টার মাঝেই গত জুলাই থেকে এ নিয়ে তৃতীয়বার সহিংস হয়ে উঠেছে গাজা-ইসরাইল সীমান্ত৷

টানা এই উত্তেজনা আবারো উভয়পক্ষের মধ্যে যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি করেছে৷ ২০০৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত এ সীমান্তে তিনবার যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে তারা

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বলছে, তারা ১৪০টি হামাস ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে৷ এ সব ঘাঁটির মধ্যে হামাসের ব্যারাক ও অস্ত্র তৈরির কারখানাও রয়েছে৷

তাদের দাবি, বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ১৫০টি রকেট হামলা চালায় হামাস৷ এর মধ্যে ২৫টি ইসরায়েলের এয়ার ডিফেন্স প্রতিহত করতে পারে৷

ওদিকে ইসরায়েলের বিমান হামলার সময় রাতভর গাজা উপত্যকায় ধোঁয়া ও আগুনের ফুলকি দেখা যায়৷

জাতিসংঘের মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত বিষয়ক দূত নিকোলাই ম্লাদেনভ এক বিবৃতিতে এই হামলা-পালটা হামলায় গভীর শঙ্কা প্রকাশ করেন৷ তিনি উভয়পক্ষকে নিবৃত্ত থাকার আহ্বান জানান৷

মঙ্গলবারের একটি ঘটনাই এবারের উত্তেজনার কারণ৷ সেই ঘটনায় ফিলিস্তিনি সীমানার ভেতর হামাসের সামরিক শাখার দুই সদস্যকে গুলি করে হত্যা করে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী৷

ইসরায়েলের দাবি ছিল, তারা ইসরায়েলি সেনাসদস্যদের দিকে গুলি ছুঁড়ছিল৷ আর হামাসের দাবি ছিল, সেখানে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে প্রশিক্ষণ চলছিল৷

ইসরায়েলের মিডিয়া অবশ্য পরে জানিয়েছে যে, দেশটির সেনাবাহিনী পরে তাদের ভুল বুঝতে পেরেছে যে, হামাস সদস্যরা তাদের দিকে গুলি করছিল না৷ এই ভুলের জন্য মাশুল গুনতে হবে বলে হুঁশিয়ার করে হামাস৷ পরে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করে, তাদের বেসামরিক প্রকৌশলিদের ওপর হামলা করা হয়েছে৷ এর বদলা নিতে তারা হামাসের একটি পোস্টে ট্যাঙ্ক থেকে গুলি চালায়৷ এর জবাবেই হামাস রকেট হামলা ও ইসরায়েল বিমান হামলা করে৷

জেডএ/ডিজি (এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন