আবারো জ্বলছে টিউনিসিয়া | বিশ্ব | DW | 11.01.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

টিউনিসিয়া

আবারো জ্বলছে টিউনিসিয়া

রাজধানীসহ বিভিন্ন শহরে তৃতীয় দিনের মতো সহিংস বিক্ষোভ চলছে৷ বিক্ষোভ থামাতে বদ্ধপরিকর সরকার৷

বুধবার পর্যন্ত ২০০ জন বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতার করার কথা জানিয়েছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়৷ বিক্ষোভে ৫০ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন৷

দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিসহ সরকারের কঠিন সব সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এ বিক্ষোভ চলছে৷

আরব বসন্তের সূতিকাগার টিউনিসিয়ায় গেলো সপ্তাহে শান্তিপূর্ণভাবেই বিক্ষোভকারীরা মিছিল শুরু করেন৷ কিন্তু সোম ও মঙ্গলবার রাজধানী টিউনিসসহ অন্তত ২০টি শহরে বিক্ষোভ সহিংস হয়ে ওঠে৷ বুধবারও অনেক শহরে রাতভর সংঘর্ষ হয়৷

আন্তর্জাতিক ঋণের চাপ কমাতে এ বছরের শুরুতে টিউনিসিয়ায় ভ্যাট ও সামাজিক সুরক্ষা কর বাড়ানো হয়৷ এতেই ফুঁসে ওঠে জনগণ৷ সেই ক্ষোভ বাড়তে থাকে যখন সরকারের পক্ষ থেকে পেট্রোল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম, গাড়ি, ফোনকল, ইন্টারনেট, হোটেল ও আরো অনেক আইটেমের ওপর কর বাড়ানোর কথা বলা হয়৷

২০১১ সালে রাস্তায় নেমে স্বৈরাচারী শাসক প্রেসিডেন্ট বেন আলিকে হটিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন টিউনিসিয়ার মানুষ এবং গোটা মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকায় আরব বসন্তের সূচনা করেছিলেন, যাকে প্রশংসায় ভাসিয়েছিল সারা বিশ্ব৷

এরপর থেকে গত ছয় বছরে নয়বার সরকার বদল হয়েছে৷ কিন্তু ব্যাপক বেকারত্ব ও অর্থনৈতিক সংকট যথাযথভাবে মোকাবেলা করতে পারেনি কেউই৷

বিক্ষোভকারীরা পণ্যের দাম ও কর বাড়ানোর সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত মাঠে থাকবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন৷ শুক্রবার একটি বিরাট সমাবেশের ডাক দিয়েছেন তারা৷

সরকারের পক্ষ থেকে যে কোনো ধরনের সহিংস বিক্ষোভ, লুটপাট ও ভবনে আগুন দেয়ার মতো ঘটনা কঠোর হাতে দমনের কথা বলা হয়েছে৷

মঙ্গলবার সন্দেহভাজন ‘মুসলিম জঙ্গিরা' একটি ইহুদি স্কুলে পেট্রোল বোমা মেরেছে৷

এখন পর্যন্ত কতজন বিক্ষোভকারী হতাহত হয়েছেন তা জানা যায়নি৷ তবে সোমবার একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, যদিও পুলিশ বলছে যে এই মৃত্যুর জন্য তারা দায়ী নয়৷

প্রতিবছর জানুয়ারিতে বিক্ষোভ একরকম নিয়মেই পরিণত হয়েছে টিউনিসিয়ায়৷ কারণ, এই সময় বেন আলিকে উৎখাত করা ও গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার বর্ষপূর্তি পালন করেন তারা৷ অর্থনৈতিক সংকট সমাধান করতে না পারায় সরকারের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন সাধারণ মানুষ৷

জেডএ/এসিবি (এএফপি, এপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন