আবারো চন্দ্র অভিযানে মার্কিন সংস্থা নাসা | বিশ্ব | DW | 09.09.2013
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

আবারো চন্দ্র অভিযানে মার্কিন সংস্থা নাসা

দীর্ঘ ৪০ বছর পর আবারো চাঁদে নভোযান পাঠালো নাসা৷ শুক্রবার রাতেই ভার্জিনিয়া থেকে এটি উৎক্ষেপণ করা হয়৷ লুনার অ্যাটমোসফয়ার অ্যান্ড ডাস্ট এনভারনমেন্ট এক্সপ্লোরার বা এলএডিইই নামের যানটি নতুন করে চাঁদকে চিনতে সাহায্য করবে৷

১৯৬৯, ১৯৭২ – এর পর দীর্ঘ বিরতি৷ মাঝে মহাকাশ অভিযানে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার বাজেট কাটছাঁট৷ এতকিছুর পরও বসে নেই নাসা৷ এবার তারা আবারো চাঁদে নভোযান পাঠালো

সম্প্রতি বিজ্ঞানীদের ধারণা হয়েছে, চাঁদের ভূখণ্ড আগে যেমনটা ভাবা হয়েছিল তার থেকে ভিন্ন৷ সম্প্রতি নাসার কিছু রোবটের তোলা ছবি থেকে এ ধারণা হয়েছে বিজ্ঞানীদের৷

নাসা জানায়, ২০০৯ সালে নাসার একটি উপগ্রহ থেকে তোলা ছবিতে ওয়াটার আইস বা বরফের সন্ধান পাওয়া যায়৷

নাসার বিজ্ঞানী জন গ্রান্সফেল্ড জানালেন, তাঁদের ধারণা ছিল, চাঁদের পৃষ্ঠটা বায়ুমণ্ডলহীন৷ আর এ কারণেই সেখানে আর অভিযান চালানোর পরিকল্পনা ছিল না তাদের৷ পরে পাওয়া ছবিগুলো থেকে তারা আবিষ্কার করলেন চাঁদ আসলে বৈজ্ঞানিকভাবেই বেশ জীবিত, এটা এখনও বিকশিত হচ্ছে এবং এর বায়ুমণ্ডলও রয়েছে৷

তিনি জানালেন, চাঁদের বায়ুমণ্ডল এতটাই পাতলা যে এর কণিকাগুলোর মাঝে কোন সংঘর্ষ হয়না৷ এই স্তরটাকে বলা হয় এক্সসফেয়ার৷ নতুন অভিযানের কাজ হবে পৃথিবীর কক্ষপথে গিয়ে চাঁদকে একমাস ধরে ২৫০ কিলোমিটার দূর থেকে প্রদক্ষিণ করা এবং এরপর লেজার রশ্মি ও তিনটি যন্ত্রের সাহায্যে চাঁদের বায়ুমণ্ডলের তথ্য সংগ্রহ করা৷ উৎক্ষেপণের পর কিছু যান্ত্রিক গোলযোগ গেখা গেলেও নাসা জানিয়েছে, দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে সমস্যাগুলির সমাধান হয়ে যাবে বলে তাদের আশা৷

সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মীর সাহায্যে চাঁদের ধূলিকনা বিদ্যুতায়িত হয় কিনা আর এ কারণেই কি সূর্য উদয়ের আগে বর্ণিল আলোকচ্ছটা দেখা দেয় – এ প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজতেই এবারের চন্দ্র অভিযান৷

সাম্প্রতিক এই অভিযানের পর নভোচারী পাঠানোর কোনো পরিকল্পনা নাসার নেই৷ কেবল ২০৩০ সালের মধ্যে মঙ্গলে নভোচারী পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে তাদের৷

এপিবি/এসবি(এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়