আবরারের হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি চায় ছাত্রলীগ | বিশ্ব | DW | 09.10.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

আবরারের হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি চায় ছাত্রলীগ

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যায় জড়িতদের দ্রুতবিচার আইনে বিচার করে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছে ছাত্রলীগ৷

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য তাদের দাবিগুলো তুলে ধরেন৷

জয় বলেন, "আমরা দাবি জানাই দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য৷ আবরার হত্যা মামলাটি দ্রুত বিচার আইনের আওতায় এনে এবং হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত প্রত্যেকের যেন সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা সম্ভব হয় সে উপযোগী করে পুরো মামলাটি পরিচালনা করা হয়৷''

বুয়েটের শেরে বাংলা হলে তড়িৎ কৌশল দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদকে শিবির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলে গত রোববার রাতে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে এ পর্যন্ত ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, এদের বেশিরভাগই ছাত্রলীগের নেতাকর্মী৷

তদন্তের পর ছাত্রলীগ জানিয়েছে, আবরারকে নির্যাতনের সময় নেতাকর্মীরা মদ্যপ ছিলেন৷ এ ঘটনায় ১১ নেতাকর্মীকে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে৷

জয় বলেন, ‘‘বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাথে জড়িত কেউ যদি ব্যক্তি উদ্যোগে কোনো অপরাধ কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িয়ে পড়ে, তারাও বিচারের হাত থেকে রক্ষা পাবে না; অতীতেও পায়নি, ভবিষ্যতেও পাবে না৷ ছাত্রলীগ কখনই কোনো প্রকার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে প্রশ্রয় দেয় না, উৎসাহ প্রদান করে না৷

সংগঠনের পরিচয়-পদবী ব্যবহার করে কতিপয় ব্যক্তির অতিউৎসাহী হয়ে সংঘটিত কোনো কর্মকাণ্ডকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ অতীতের ন্যায় বর্তমানে এবং ভবিষ্যতেও প্রশ্রয় দেবে না৷ সম্প্রতি সংঘটিত আবরার হত্যাকাণ্ডে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ আবারও তা প্রমাণ করেছে৷''

আবরারের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত এজাহারভুক্ত ১৯ জনের মধ্যে ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ৷ পলাতক অন্য অভিযুক্তদেরও স্বল্প সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার করে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানান ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জয়৷

''এজাহারভুক্ত ১৯ জনের বাইরে আরও যদি কেউ এই হত্যাকাণ্ডের সাথে সংশ্লিষ্ট থাকে তাদেরও যেন অনুসন্ধানের মাধ্যমে খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হয়৷ এ বিষয়ে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে৷''

হল প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগ

আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে আন্দোলনের মধ্যে শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নিয়ে শেরেবাংলা হল প্রাধ্যক্ষের পদ ছেড়েছেন অধ্যাপক জাফর ইকবাল খান৷

বুধবার বুয়েট শহীদ মিনার এলাকায় অবস্থান নিয়ে থাকা আন্দোলনকারীদের সামনে এসে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি একেএম মাসুদ শিক্ষার্থীদের এ কথা জানান৷

আবরারকে হত্যার পর ১০ দফা দাবিতে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা৷ এর মধ্যে রাজনৈতিক ক্ষমতা ব্যবহার করে আবাসিক হল থেকে ছাত্র উৎখাতের ব্যাপারে নির্লিপ্ত থাকা এবং ছাত্রদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্যর্থ হওয়ায় শেরে বাংলা হলের প্রাধ্যক্ষকে ১১ অক্টোবর বিকাল ৫টার মধ্যে প্রত্যাহারের দাবি ছিল৷

বাকি দাবিগুলো পূরণে সময় বেঁধে দিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেছেন, নির্ধারিত সময়ে তাদের দাবি পূরণ না হলে ১৪ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষাসহ সব অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হবে৷

এসআই/কেএম (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন