আফ্রিদি, গম্ভীরকে ওয়াকারের পরামর্শ | বিশ্ব | DW | 01.06.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ক্রিকেট

আফ্রিদি, গম্ভীরকে ওয়াকারের পরামর্শ

খেলোয়াড়ি জীবন থেকেই শহীদ আফ্রিদি ও গৌতম গম্ভীরের মধ্য়ে সাপে নেউলে সম্পর্ক। কাশ্মীর ইস্য়ুতেও মাঝেমধ্য়েই তাঁরা বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। এ থেকে বেরিয়ে আসার পরামর্শ দিলেন ওয়াকার ইউনিস।

অনলাইনে আয়োজিত এক চ্য়াট শোতে অংশ নিয়ে পাকিস্তানের সাবেক ফাস্ট বোলার ওয়াকার ইউনিস আফ্রিদি ও গম্ভীরকে বিশ্ৱের কোনো এক জায়গায় বসে নিজেদের মধ্য়ে আলোচনা করে শান্ত হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। ‘‘বেশ অনেকদিন ধরে এমনটা (দুজনের মধ্য়ে বাকযুদ্ধ) চলছে। তাঁদের প্রতি আমার পরামর্শ হলো, তোমরা যদি আসলেই শান্ত হতে না পারো তাহলে বিশ্বের কোনো এক জায়গায় বসে এ ব্য়াপারে কথা বলো।''

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্য়ে সম্পর্ক ঠিক করতে দুই দেশের মধ্য়ে ক্রিকেট সিরিজ আয়োজনেরও পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। ‘‘আমার মনে হয়, এটা বিশ্ৱের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য় ঘটনা হবে,'' বলেন ৪৮ বছর বয়সি ওয়াকার ইউনিস।

২০১২-১৩ মৌসুমের পর দুই দেশের মধ্য়ে আর সিরিজ অনুষ্ঠিত হয়নি।

আফ্রিদি-গম্ভীরবাকযুদ্ধ

২০০৩ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে একদিনের ক্রিকেটে অভিষেক হওয়া ভারতের গৌতম গম্ভীর বর্তমানে লোকসভায় বিজেপির সাংসদ।

পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে গিয়ে সম্প্রতি শহীদ আফ্রিদি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ‘কাপুরুষ' বলে আখ্য়ায়িত করেন। এছাড়া ‘মোদীর হৃদয় ও মনে করোনা ভাইরাসের চেয়েও বড় অসুখ আছে' বলে মন্তব্য় করেন তিনি।

এর প্রতিক্রিয়ায় গম্ভীর এক টুইটে আফ্রিদিকে বাংলাদেশের কথা মনে করিয়ে দেন। তিনি বলেন, ‘‘আফ্রিদি, ইমরান ও বাজওয়ার মতো ভাঁড়রা ভারত ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে বিষ ছুঁড়ে পাকিস্তানি জনগণকে বোকা বানাতে পারে, কিন্তু শেষ বিচারের দিন পর্যন্ত তারা কাশ্মীর পাবে না। বাংলাদেশকে মনে আছে?''

২০১৯ সালের এপ্রিলে আফ্রিদির আত্মজীবনী ‘গেম চেঞ্জার' প্রকাশিত হয়। সেখানে আফ্রিদি লিখেছেন, ‘বলার মতো কোনো রেকর্ড' গম্ভীরের নেই। এছাড়া ‘উল্লেখ করার মতো ব্যক্তিত্ব' না থাকলেও গম্ভীর নাকি এমন ‘অ্যাটিটিউড দেখান যেন স্যার ডন ব্র্যাডমান ও জেমস বন্ডের সংমিশ্রণ রয়েছে তার মধ্যে'!

সেই সময় এর প্রতিক্রিয়ায় গম্ভীর আফ্রিদিকে মানসিক রোগের চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন।

এরপর গতমাসে আবারও এই বিষয়টি আলোচনায় এলে গম্ভীর একটি টুইট করেন। সেখানে তিনি আফ্রিদিকে তাঁর বয়স নিয়ে খোঁটা দেয়ার পাশাপাশি ২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালের কথা মনে করিয়ে দেন। গম্ভীর লেখেন, ‘‘যার নিজের বয়সই মনে থাকে না, সে কীভাবে আমার রেকর্ড মনে রাখবে! ঠিক আছে শহীদ আফ্রিদি, আমাকে মনে করিয়ে দিতে দাও: ২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল, ভারত বনাম পাকিস্তান, গম্ভীর ৫৪ বলে ৭৫ রান বনাম আফ্রিদি ১ বলে শূন্য। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো: আমরা কাপ জিতেছিলাম। আর হ্যাঁ, মিথ্যাবাদী, বিশ্বাসঘাতক ও সুবিধাবাদীদের বিরুদ্ধে আমার অ্যাটিটিউড রয়েছে।''

উল্লেখ্য, নিজের আত্মজীবনীতে আফ্রিদি নিজের বয়স পাঁচ বছর কমানোর কথা জানিয়েছিলেন।

এছাড়া ২০১৯ সালের আগস্টে ভারত কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের পরও বাকযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছিলেন আফ্রিদি ও গম্ভীর।

জেডএইচ/এসিবি (এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন