আফ্রিকায় খাদ্য সংকটের সতর্কতা | বিশ্ব | DW | 22.03.2022

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

আফ্রিকা

আফ্রিকায় খাদ্য সংকটের সতর্কতা

ইউক্রেনে রাশিয়ার অভিযানের কারণে আফ্রিকায় ব্যাপক খাদ্য সংকটের সতর্কতা জারি। সংকট হতে পারে ইউরোপেও।

অক্সফ্যাম একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, ইউক্রেন-রাশিয়া লড়াইয়ের কারণে পূর্ব আফ্রিকায় খাদ্য সংকট শুরু হয়ে গেছে। পরিস্থিতি এমনই চললে এই সংকট আরো বাড়বে।

অক্সফ্যামের প্রধান গ্যাব্রিয়েলা বুচার বলেছেন, ইথিওপিয়া, কেনিয়া, সোমালিয়া এবং দক্ষিণ সুদানে খাদ্য সংকট সবচেয়ে বেশি হতে পারে। বুচারের কথায়, ''ইউক্রেনে রাশিয়া অভিযান গোটা বিশ্বেই খাদ্য সংকট তৈরি করবে। কিন্তু গরিব দেশগুলিতে তার প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়বে। পূর্ব আফ্রিকায় ইতিমধ্যেই সেই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।''

পূর্ব আফ্রিকা ইউক্রেন এবং রাশিয়া থেকে পাঠানো গমের উপর প্রবলভাবে নির্ভরশীল। কিন্তু লড়াইয়ের কারণে আপাতত সেই সরবরাহ বন্ধ আছে। যার প্রভাব কেনিয়া, ইথিওপিয়া, সোমালিয়ার মতো দেশগুলির উপর পড়তে শুরু করেছে। বস্তুত, কৃষ্ণসাগর কার্যত আটকে রেখেছে রাশিয়া। সেখানে একাধিক খাদ্যবোঝাই জাহাজ দাঁড়িয়ে আছে। ওই জাহাজেই পূর্ব আফ্রিকায় গম পাঠানো হচ্ছিল। কৃষ্ণসাগরের ওই অঞ্চলকে বলা হয় বিশ্বের ব্রেড বাস্কেট। বিপুল পরিমাণ গম সেখান থেকে ইউরোপ এবং আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চলে যায়।

প্রতি বছর ২০ থেকে ২৫ মিলিয়ন টন গম আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে সরবরাহ করে ইউক্রেন। অন্যদিকে রাশিয়া রপ্তানি করে প্রায় ৩০ মিলিয়ন টন। অক্সফ্যামের রিপোর্ট বলছে, প্রায় গোটা আফ্রিকা ওই রপ্তানির উপর নির্ভরশীল। ফলে সাম্প্রতিক লড়াই বিপুল সংকট তৈরি করবে।

ইউরোপের অভিযোগ, কৃষ্ণসাগরে রাশিয়া প্রায় ২০০টি জাহাজ আটকে রেখে দিয়েছে। গমবোঝাই জাহাজগুলিকে কোথাও যেতে দেওয়া হচ্ছে না। রাশিয়ার নৌবহর এলাকাটি কার্যত ঘিরে রেখে দিয়েছে।

রাশিয়া অবশ্য জানিয়েছে, ইউক্রেন ওই অঞ্চলে সমুদ্রে মাইন পেতে রেখেছে। জাহাজগুলির সুরক্ষার জন্যই তারা এলাকাটি আটকে রেখেছে।

এসজি/জিএইচ (রয়টার্স, এএফপি)