আফগানিস্তান নিয়ে শুরু হচ্ছে জি-৭ বৈঠক | বিশ্ব | DW | 23.08.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

আফগানিস্তান

আফগানিস্তান নিয়ে শুরু হচ্ছে জি-৭ বৈঠক

মঙ্গলবার জরুরি ভার্চুয়াল বৈঠকে বসছে জি-৭ দেশগুলি। আফগানিস্তান নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক হবে বৈঠকে।

আফগানিস্তানের তালেবান শাসকদের সঙ্গে বিশ্বের কূটনৈতিক সম্পর্ক কী হবে, তা নিয়ে মঙ্গলবার জরুরি বৈঠকে বসছে জি-৭ দেশগুলি। বৈঠক পরিচালনা করবে যুক্তরাজ্য। সে দেশের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ইতিমধ্যেই তালেবানের আফগানিস্তান নিয়ে একাধিক বিষয় সামনে এনেছেন। জনসন বুঝিয়ে দিয়েছেন, যুক্তরাজ্য তালেবান শাসকদের মেনে নিতে চায় না। তালেবানের বিরুদ্ধে একাধিক নিষেধাজ্ঞা জারির প্রস্তাবও তিনি করেছেন। জি-৭ বৈঠকে এ বিষয়ে আরো আলোচনা হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। অন্যদিকে, জো বাইডেন জানিয়েছেন, ৩১ অগাস্টের মধ্যেই আফগানিস্তান থেকে সমস্ত সেনা সরিয়ে নিতে চায় অ্যামেরিকা। উদ্ধারকাজ আরো জোরদার করা হয়েছে। অগাস্টের মধ্যেই সমস্ত মার্কিন নাগরিককে আফগানিস্তান থেকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে।

রোববার হোয়াইট হাউস থেকে বাইডেন জানিয়েছেন, সপ্তাহান্তে প্রায় ১১ হাজার মার্কিন নাগিরক এবং আফগানকে উদ্ধআর করে দেশের বিমানে তোলা হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহ উদ্ধারকাজে আরো জোর দেওয়া হবে বলে তিনি জানিয়েছেন। বাইডেনের কথায়, ''৩১ অগাস্টের মধ্যেই যাতে উদ্ধারকাজ শেষ হয়, সেই চেষ্টাই চালাচ্ছে অ্যামেরিকা।'' বস্তুত, উদ্ধারকাজে গতি আনতে সেনার বিমানের পাশাপাশি সিভিলিয়ান এবং কমার্শিয়াল বিমানও আফগানিস্তানে পাঠানো হচ্ছে। প্রতিদিন যাতে অনেক বেশি মানুষকে দেশে ফেরানো যায়।

বাইডেন বলেছেন, যে ভাবে আফগান নাগরিকরা দেশ ছেড়ে পালাচ্ছেন, তা দেখে তার কষ্ট হচ্ছে। মনে যন্ত্রণা হচ্ছে। যে সমস্ত নাগরিকরা মার্কিন সংস্থাগুলিকে সাহায্য করেছিল, এমনকী, যারা ন্যাটোর বিভিন্ন সংস্থাকে সাহায্য করেছে, তাদের যাতে দ্রুত আফগানিস্তান থেকে উদ্ধার করে অ্যামেরিকায় আনা যায়, তার সমস্ত প্রচেষ্টা জারি আছে। কাবুল বিমানবন্দর থেকেই অ্যামেরিকা এখন দূতাবাসের কাজ চালাচ্ছে। সেখানে আফগান নাগরিকদের অতীত তল্লাশি করে দেখা হচ্ছে এবং ভিসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

বাইডেন জানিয়েছেন, তালেবানের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে মার্কিন বাহিনী। সকলকে যাতে সুষ্ঠুভাবে বিমানবন্দর পর্যন্ত আনা যায়, তার জন্যই যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। তালেবান মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে সহযোগিতা করছে বলে জানিয়েছেন বাইডেন।

বরিস জনসনের বক্তব্য

বরিস জনসন অবশ্য অ্যামেরিকার কাছে একটি আবেদন করেছেন। তার বক্তব্য, এই মুহূর্তে আফগানিস্তানের যা পরিস্থিতি, তাতে ৩১ অগাস্টের মধ্যে সকলকে উদ্ধার করা অসম্ভব। ফলে মার্কিন সেনা যেন আরো কিছুদিন সেখানে থাকে। বস্তুত, যুক্তরাজ্যেরও এক হাজার সেনা কাবুল বিমানবন্দরে আছে। তারাও উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে। কিন্তু অ্যামেরিকা সেনা সরিয়ে নিলে ন্যাটোর অন্য দেশগুলিও সেনা সরাতে বাধ্য হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

জনসন চাইছেন, জি-৭ এর বৈঠক থেকে তালেবানের বিরুদ্ধে একাধিক নিষেধাজ্ঞা জারি করতে। অ্যামেরিকা জানিয়েছে, তালেবান কী নীতি নেয়, তা দেখেই তারা সিদ্ধান্ত চাইছে। তবে জি-৭ এর বৈঠকে যে আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে যথেষ্ট উত্তপ্ত আলোচনা হবে, কূটনীতিকদের কাছে তা স্পষ্ট। আফগান শরণার্থীদের নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হওয়ার কথা।

এসজি/জিএইচ (রয়টার্স, এপি, এএফপি)