আফগানিস্তান থেকে দুই দিনে ফিরলেন ৩৯২ ভারতীয় | বিশ্ব | DW | 23.08.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ভারত

আফগানিস্তান থেকে দুই দিনে ফিরলেন ৩৯২ ভারতীয়

তালেবান শাসনাধীন আফগানিস্তান থেকে ফেরানো হচ্ছে ভারতীয়দের। দুই দিনে মোট ৩৯২ জনকে ফেরানো হলো।

প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

আফগানিস্তান থেকে দুই দিনে দেশে ফিরলেন ৩৯২ জন ভারতীয় । রোববার রাতে ফিরলেন ১৪৬ জন।  তাদের প্রথমে কাবুল থেকে দোহা নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর সেখান থেকে বিমানে করে দিল্লি নিয়ে আসা হয়। রোববার রাতে যারা এসেছেন, তার মধ্যে দুই আফগান সাংসদ এবং তাদের পরিবারও আছে। গত সোমবার থেকে সবমিলিয়ে ৫৯০ জন ভারতীয়কে দেশে ফেরানো হয়েছে বলে সংবাদসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে। তার মধ্যে শনি ও বোববার তিনটি বিমানে ৩৯২ জনকে দেশে ফেরানো হলো। 

কাবুল বিমানবন্দর এখনো মার্কিন সেনার হাতে আছে। তারা ঠিক করে দিয়েছে, দিনে দুইটি ভারতীয় বিমান সেখান থেকে উড়তে পারবে।  সেইমতো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভারতীয়দের নিয়ে আসছে। কাজটা খুব সহজে হচ্ছে না। প্রতি পদে বিপদের আশঙ্কা থাকছে। কারণ, তালেবান ইতিমধ্যে হেরাত সহ দুইটি ভারতীয় কনসুলেটে ঢুকেছে এবং পার্ক করা গাড়ি নিয়ে চলে গেছে। অনেক সময়ই ভারতীয়দের রাতের অন্ধকারে গাড়িতে করে বিমানবন্দরে নিয়ে আসা হচ্ছে। যে ভারতীয়রা ফিরেছেন, তাদের তালেবানরা থানায় নিয়ে যায়। তারপর কাগজপত্র পরীক্ষা করে তাদের ছাড়া হয়। তখন তারা বিমানবন্দরে আসেন। 

রোববার রাতে যে ১৪৬ জনকে নিয়ে আসা হয়েছে, তারা একটি গুরুদ্বারে আশ্রয় নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে দুই সাংসদ আনারকলি হোনারিয়ার এবং নরেন্দ্র সিংহ খালসা ও তাদের পরিবারও ছিল। নরেন্দ্র দিল্লি বিমানবন্দরে বলেছেন, ''২০ বছর ধরে তিল তিল করে সবকিছু গড়ে তুলেছিলাম। একদিনে তা শেষ হয়ে গেল। আমার কান্না পাচ্ছে।''

আফগানিস্তান থেকে ভারতীয়দের ফেরার ব্যাপারে কাতার খুবই সাহায্য করছে। গত শনিবারও কাতারের দোহা থেকে ১৩৫ জন ভারতীয়কে দেশে ফেরানো হয়েছে। তার আগে ৮৭ জনকে তাজিকিস্তানের রাজধানী থেকে উড়িয়ে আনা হয়েছিল। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের বেশ কিছু মানুষ আছেন।

এরপরেও প্রচুর ভারতীয় এখন আফগানিস্তানে নানা জায়গায় আটকে পড়ে আছেন। তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে দেশে ফেরানোর কাজ চলছে। সরকরি হিসেব, এখনো প্রায় এক হাজার ভারতীয়কে দেশে ফেরাতে হবে।

জিএইচ/এসজি(পিটিআই, এএনআই)