আফগানিস্তানে মার্কিন দূতের ইস্তফা | বিশ্ব | DW | 19.10.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

অ্যামেরিকা

আফগানিস্তানে মার্কিন দূতের ইস্তফা

আফগানিস্তানে মার্কিন দূত জালমে খালিলজাদ ইস্তফা দিচ্ছেন। সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সময় থেকে তিনি এই দায়িত্বে ছিলেন।

ইস্তফা দিচ্ছেন খালিলজাদ।

ইস্তফা দিচ্ছেন খালিলজাদ।

এই সপ্তাহেই দায়িত্ব ছেড়ে দেবেন খালিলজাদ। তিন বছর ধরে তিনি এই দায়িত্বে ছিলেন। ট্রাম্পের পর বাইডেন প্রশাসনেও তিনি এই দায়িত্ব পালন করে এসেছেন। টমাস ওয়েস্ট এবার এই দায়িত্ব পালন করবেন।  খালিলজাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ট্রাম্পের আমলে তালেবানের উপর যথেষ্ট চাপ সৃষ্টি করতে পারেননি। তবে ব্লিংকেন তার কাজের জন্য খালিলজাদকে ধন্যবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, খলিলজাদ কয়েক দশক ধরে অ্যামেরিকার মানুষের সেবা করেছেন।

কিছুদিন আগে দোহায় তালেবানের সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন মার্কিন কূটনীতিকরা। সেখানে খালিলজাদকে রাখা হয়নি। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তিনিই ছিলেন আফগানিস্তানের বিষয়ে অ্যামেরিকার প্রধান কূটনীতিক।

সেনা প্রত্যাহারে বিশৃঙ্খলা নিয়ে তদন্ত

সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফ থেকে কংগ্রেসকে জানানো হয়েছে, আফগানিস্তান থেকে  বিশৃঙ্খলভাবে সেনা প্রত্যাহার করা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। বিশেষ অভিবাসন ভিসা দেয়া নিয়েও তদন্ত হবে। যে আফগানরা গত ২০ বছর ধরে অ্যামেরিকাকে সাহায্য করেছিলেন, তাদের এই ভিসা দেয়া হয়েছে। তাদের জরুরি ভিত্তিতে অ্যামেরিকায় এনে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। 

আফগানিস্তানে তালেবান দ্রুত ক্ষমতা দখল করেছে এবং তড়িঘড়ি করে অ্যামেরিকাকে নিজেদের সেনা ও নাগরিকদের দেশে ফেরাতে হয়েছে।  এই প্রক্রিয়া মসৃনভাবে হয়নি, বরং তা ছিল খুবই বিশৃঙ্খল।  তারপর রিপাবলিকানরা প্রেসিডেন্ট বাইডেনের কঠোর সমালোচনা করেছেন।

যোগ দেবে না অ্যমেরিকা

রাশিয়ায় আফগানিস্তান নিয়ে আন্তর্জাতিক আলোচনায় যোগ দেবে না অ্যামেরিকা। বুধবার তালেবান, চীন ও পাকিস্তানের সঙ্গে রাশিয়া আলোচনা করবে। মস্কোয় এই আলোচনা হবে। কিন্তু পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নেড প্রাইস জানিয়েছেন, অ্যামেরিকা ওই আলোচনায় থাকবে না।  পুটিনের বিশেষ দূত জামির কাবুলভ জানিয়েছেন, আফগানিস্তান নিয়ে একটি সাধারণ অবস্থান নেয়াই হলো এই আলোচনার লক্ষ্য।  

নেড প্রাইস জানিয়েছেন,  ''আমরা মস্কো আলোচনায় অংশ নেব না। রাশিয়ার সঙ্গে তিন দেশের কথা হবে। আমরা চাই, এই ফোরাম কথাবার্তা এগিয়ে নিয়ে যাক। কিন্তু আমরা বুধবারের আলোচনায় অংশ নেয়ার পরিস্থিতিতে নেই।'' তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, অ্যামেরিকা কি এই উদ্যোগকে সমর্থন করে? প্রাইস জানিয়েছেন, ''এই উদ্যোগকে সমর্থন করে অ্যামেরিকা।''

জিএইচ/এসজি(এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন