আফগানিস্তানে নির্বাচনের দিনে হামলায় বহু হতাহত | বিশ্ব | DW | 20.10.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

আফগানিস্তান

আফগানিস্তানে নির্বাচনের দিনে হামলায় বহু হতাহত

আফগানিস্তানের সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণের দিনে একাধিক হামলায় অন্তত ১৭০ জন হতাহত হয়েছেন৷ হামলার পাশাপাশি দুর্বল ব্যবস্থাপনা আর কারিগরি সমস্যার কারণেও ভোট গ্রহণ বাধাগ্রস্ত হয়েছে৷

শনিবার রাজধানী কাবুলের কাছের এক ভোটকেন্দ্রে আত্মঘাতী হামলায় অন্তত পনের ব্যক্তি নিহত হয়েছেন৷ এছাড়া দেশটির আরো কয়েকটি ভোটকেন্দ্রে বোমা ও রকেট হামলার পাশাপাশি সহিংসতায় বেশ কয়েকজন হতাহত হয়েছেন৷ সব মিলিয়ে দেশটির একুশ হাজারের মতো ভোটকেন্দ্রে শনিবার ভোটগ্রহণ করা হয়েছে৷ আর ভোটের দিনে হতাহতের মোট সংখ্যা ১৭০ জনের বেশি

তবে, হামলার পাশাপাশি কারিগরি সমস্যার কারণেও কয়েকটি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ বন্ধ করে দিতে হয়েছে৷ কিছুক্ষেত্রে ভোটগ্রহণের সময়সীমা রবিবার পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে৷ 

শনিবার যা ঘটেছে:

- কাবুলের কয়েকটি স্থানে ভোটকেন্দ্রের আশেপাশে হামলার ঘটনায় অন্তত ১৮ ব্যক্তি নিহত এবং ৬৭ জন আহত হয়েছেন৷

- দেশটির পূবাঞ্চলের রাজ্য নানগারহারে এক বিস্ফোরণে দুই ব্যক্তি নিহত এবং তিনজন আহত হয়েছেন৷ এবং উত্তরাঞ্চলের রাজ্য তাখারে রকেট হামলায় এক ব্যক্তি নিহত ও আট ব্যক্তি আহত হয়েছেন৷ তালেবান এই হামলা চালিয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে৷

- বায়োমেট্রিক সিস্টেম ঠিকভাবে কাজ না করা এবং সময়মতো ভোটার তালিকা না পৌঁছানোয় বেশ কয়েকটি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ সম্ভব হয়নি৷

- কিছু ভোটকেন্দ্রে ভোট গ্রহণ দেরিতে শুরু হওয়ায় সারা দেশে ভোট দানের সময় স্থানীয় সময় রাত আটটা পর্যন্ত বাড়িয়ে দেয়া হয়৷ পাশাপাশি যেসব ভোট কেন্দ্রে ভোটের উপকরণ পৌঁছাতে দেরি হয়েছে, সেগুলোতে রবিবারও ভোট গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ৷

- গজনি এবং কান্দাহারে গত বৃহস্পতিবারের ভয়াবহ হামলার কারণে সেখানে ভোট গ্রহণ এক সপ্তাহ পিছিয়ে দেয়া হয়েছে৷

শনিবার ভোট গ্রহণের সময় বিভিন্ন স্থানে বিশৃঙ্খলার অভিযোগ এনেছেন নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা৷ কাবুলে একজন পর্যবেক্ষক ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘সবকিছু বিশৃঙ্খলায় পূর্ণ... কোনো কিছুই কাজ করছে না৷ তারা যে সিস্টেম স্থাপন করেছে, তা ঠিকভাবে সচল হয়নি৷''

উল্লেখ্য, নির্বাচনে অংশ নেয়া বেশ কয়েকজন প্রার্থী অনিয়মের অভিযোগও এনেছেন৷ সেসব অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছে দেশটির নির্বাচন কমিশন৷

এআই/এসিবি (এএফপি, এপি, ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন