আফগানিস্তানে তালেবান হামলায় নিহত ছয় ন্যাটো সেনা | বিশ্ব | DW | 12.12.2010
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

আফগানিস্তানে তালেবান হামলায় নিহত ছয় ন্যাটো সেনা

আফগানিস্তান যুদ্ধ নিয়ে কৌশলগত চাপের মুখে পশ্চিম৷ পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন সামরিক কৌশল ঘোষণা করতে যাচ্ছে হোয়াইট হাউস৷ তবে এর কয়েকদিন আগেই রবিবার আবারও জঙ্গিদের হামলায় প্রাণ হারালেন ছয় ন্যাটো সৈন্য৷

default

আফগানিস্তানে কর্মরত আইসাফ সদস্য

সাম্প্রতিক সময়ে তালেবান সদস্যদের হামলায় যৌথ বাহিনীর সদস্যরা একের পর এক প্রাণ হারাচ্ছেন৷ জঙ্গিদের হামলা বেড়েই চলেছে বলে মনে করছেন অনেক বিশ্লেষক৷ ফলে ক্ষয়ক্ষতি থামাতে এবং গত নয় বছরের আফগানিস্তান যুদ্ধের ইতি ঘটাতে জঙ্গিদের সাথে সমঝোতায় পৌঁছানোর পক্ষে অনেক সামরিক বিশ্লেষকের মত৷ তবুও কিছু অঞ্চলে যুদ্ধে সাফল্যের দাবি করে বর্তমান কৌশলকে আঁকড়ে ধরার পক্ষে মার্কিন মূল্যায়ন৷ এরই মধ্যে আফগানিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলে তালেবান জঙ্গিদের আত্মঘাতী হামলায় প্রাণ হারালেন আরো ছয় ন্যাটো সৈন্য৷

Deutsche ISAF-Soldaten in Afghanistan

ছয় সৈন্যের নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করলেও তাদের জাতীয়তা এবং বিস্তারিত পরিচয় প্রকাশ করেনি ন্যাটো৷ রবিবারের ঘটনার ফলে চলতি বছরে দেশটিতে বিদেশি সৈন্য নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৬৯২৷ এক হিসাব মতে, গত বছর সেখানে নিহত হয়েছে ৫২১ জন বিদেশি সেনা৷

এদিকে, চলতি সপ্তাহেই আফগানিস্তানের যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে নতুন পর্যবেক্ষণ ও নীতি কৌশল প্রকাশ করার কথা রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার৷ আফগানিস্তানে নিয়োজিত মার্কিন সৈন্যদের পরিদর্শনে গিয়ে সেখানকার সাম্প্রতিক সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রবার্ট গেটস৷ কাবুলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন যে, ‘‘গত ১২ মাসে আমরা বেশ সামনে এগুতে পেরেছি৷ গত কয়েক মাসের সাফল্য আমাদের প্রত্যাশার চেয়ে বেশি৷'' মার্কিন নীতিনির্ধারকদের মূল্যায়ন ইতিবাচক হলেও ২৩ জন গবেষক, সাংবাদিক এবং উন্নয়ন কর্মী একটি খোলা চিঠিতে প্রকাশ করেছেন ভিন্ন বিশ্লেষণ৷ তাঁরা বলছেন, যৌথ বাহিনীর বর্তমান কৌশল ব্যর্থতার দিকে৷ বাড়ছে তালেবান গোষ্ঠীর শক্তি৷ তাই সেখানে তালেবানকে অন্তর্ভুক্ত করে জোট সরকার গঠন করাই হতে পারে দীর্ঘস্থায়ী সমাধান৷

চিঠিতে বলা হয়েছে, যেহেতু তালেবান সদস্যরা আগামী বছর আরো শক্তিশালী হবে, তাই পরে নয় বরং এখনই তালেবানের সাথে একটি সমঝোতায় পৌঁছানো অধিকতর ভালো৷ যাহোক, পরিস্থিতি যেদিকেই মোড় নিক না কেন আফগানিস্তান থেকে বিদেশি সৈন্য প্রত্যাহার শুরুর কথা রয়েছে ২০১১ সাল থেকে৷ আর ন্যাটোর সকল সৈন্যকে ফেরত নেওয়ার পরিকল্পনা ২০১৪ সাল নাগাদ৷ এমন পরিকল্পনা নিয়েই এগুচ্ছে আইসাফ বাহিনী৷

প্রতিবেদন: হোসাইন আব্দুল হাই

সম্পাদনা: জাহিদুল হক