আফগানিস্তানের হেলমন্দে সেনা-তালেবান সংঘর্ষ | বিশ্ব | DW | 17.05.2021

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

আফগানিস্তান

আফগানিস্তানের হেলমন্দে সেনা-তালেবান সংঘর্ষ

ঈদ শেষ হতেই শুরু সংঘর্ষ। আফগানিস্তানে সেনা ও তালেবানের মধ্যে। সেনার দাবি, ২১ জন তালেবানের মৃত্যু হয়েছে।

আফগানিস্তানের হেলমন্দে সেনা ও তালেবান সংঘর্ষ চলছে।

আফগানিস্তানের হেলমন্দে সেনা ও তালেবান সংঘর্ষ চলছে।

ঈদের জন্য তিনদিনের যুদ্ধবিরতি ছিল। সময়সীমা শেষ হতেই রোববার থেকে দক্ষিণ আফগানিস্তানের হেলমন্দ প্রদেশে আবার শুরু হয়েছে সেনা ও তালেবানের লড়াই। হেলমন্দের সরকারি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তালেবানই যুদ্ধবিরতি ভেঙে সেনাকে আক্রমণ করেছে।

কিন্তু তালেবানের মুখপাত্র জাবিবুল্লাহ মুজাহিদ এএফপি-কে বলেছেন, ''তালেবানকে কেউ যেন দোষ না দেয়। সেনাই প্রথমে অপারেশন শুরু করেছে।''

সেনার দাবি, এখনো পর্যন্ত ২১ জন তালেবান মারা গেছেন।

ঈদের জন্য তিনদিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়েছিল। শনিবার সেই সময়সীমা শেষ হয়। তারপর রোববার থেকেই আবার সংঘর্ষ শুরু হয়েছে।

তবে ঈদের দিনেও আফগানিস্তানে সহিংসতা হয়েছে। কাবুলের ঠিক উত্তরে একটি মসজিদে বোমা বিস্ফোরণ হয়। ১২ জন মারা যান। ইসলামিক স্টেট বা আইএস এর দায় স্বীকার করেছে। তারা কাবুলে বেশ কিছু ইলেকট্রিক সাব স্টেশনও ধ্বংস করেছে বলে জানিয়েছে।

কাতারে আলোচনা

সরকার ও তালেবানের মধ্যে আলোচনাও আবার শুরু হয়েছে। দোহায় সপ্তাহান্তে আলোচনা হয়েছে। তালেবান টুইট করে জানিয়েছে, দুই পক্ষই আলোচনা চালিয়ে যেতে রাজি হয়েছে।

অ্যামেরিকা সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই তাদের বাকি সেনা আফগানিস্তান থেকে দেশে ফিরবে। সেই সঙ্গে ন্যাটোর দেশগুলির সেনাও আফগানিস্তান ছাড়বে। শুক্রবারই কান্দাহারে একটি বিমানঘাঁটি আফগান সেনার হাতে তুলে দিয়েছে অ্যামেরিকার সেনা। আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট অবশ্য দাবি করেছেন, দেশরক্ষার ক্ষমতা সেনার আছে।

চীনের উদ্বেগ

চীন শনিবার জানিয়েছে, আফগানিস্তান থেকে অ্যামেরিকা তাড়াহুড়ো করে সেনা সরিয়ে নিচ্ছে। তারা জাতিসংঘকে আরো বড় দায়িত্ব নেয়ার আবেদন জানিয়েছে। চীনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রীকে বলেছেন, তাড়াহুড়ো করে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের প্রভাব এই অঞ্চলে পড়বে। এর ফলে আঞ্চলিক স্থিতাবস্থা নষ্ট হতে পারে।

জিএইচ/এসজি(এএফপি, এপি, ডিপিএ, রয়টার্স)