‘আদালতে হিজাব পরতে পারবে না বিচারক ও আইনজীবীরা′ | বিশ্ব | DW | 21.03.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

‘আদালতে হিজাব পরতে পারবে না বিচারক ও আইনজীবীরা'

আদালতে বিচারক ও আইনজীবীরা হিজাব পরতে পারবে না বলে রায় দিয়েছে জার্মানির বাভেরিয়া রাজ্যের একটি সাংবিধানিক আদালত৷ বাভেরিয়া রাজ্য কর্তৃপক্ষের হিজাব বিষয়ে নিষাধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টিকে বৈধতা দিয়ে এ রায় দেয় আদালত৷

বাভেরিয়া রাজ্য কর্তৃপক্ষের হিজাব বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রতিবাদে স্থানীয় একটি মুসলিম সংগঠনের করা আবেদনের প্রক্ষিতে এ রায় দিয়ে আদালত জানায়, ধর্মীয় বা অন্য যে কোনো মতাদর্শ বিষয়ে নিরেপক্ষ থাকার বাধ্যবাধকতা রয়েছে বিচার বিভাগের৷

ক্রুশ বিতর্ক

রাজ্যের নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আদালতে আবেদন করা মুসলিম সংগঠনটি দাবি করেছিল যে, বাভেরিয়া কর্তৃপক্ষের আরোপিত এ নিষেধাজ্ঞা দেশের ধর্ম বিষয়ক আইনের লঙ্ঘন, কেননা বাভেরিয়ার আদালতে খিষ্টানদের ধর্মীয় প্রতীক ক্রুশ ঝোলানো হয়৷ মুসলিম সংগঠনটির এ যুক্তি প্রত্যাখ্যান করে আদালত জানায় যে, ক্রুশ ঝোলানোর বিষয়টি তাঁদের যুক্তির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়৷ বরং এটি আদালতের প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত৷

আদালত আরো জানায় যে, হিজাব পরার বিষয়ে এ নিষেধাজ্ঞা কোনোভাবেই লিঙ্গবৈষম্য হিসেবে চিহ্নিত করা যাবে না৷ কারণ আদালত পুরুষদের বেলায়ও সব ধরনের ধর্মীয় পোশাক পরে আদালতের কার্যক্রমে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করে৷

গত কয়েক বছর ধরেই জার্মানিতে নারীদের, বিশেষ করে সরকারি চাকরিতে নিয়োজিত নারীদের হিজাব পরার বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক চলছে৷ সর্বশেষ জার্মান সংসদের সিডিইউ-সিএসইউ-এর ডেপুটি চেয়ারম্যান কার্স্টেন লিনেমান দেশটিতে ১৪ বছর বয়স পর্যন্ত মেয়েদের হিজাব পরার বিষয়ে নিষেধাজ্ঞার কথা বলেন৷ কার্স্টেন লিনেমান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ছেলেদের মতো মেয়েদেরও মুক্তভাবে বেড়ে উঠার স্বাধীনতা থাকা উচিত৷

বিতর্কিত পরিকল্পনা

গত বছর জার্মানির সবচাইতে জনবহুল রাজ্য নর্থ রাইন-ওয়েস্টফেলিয়া কর্তৃপক্ষ ২০১৯ সালের শেষ নাগাদ ১৪ বছর বয়স পর্যন্ত মেয়েদের স্কুলে হিজাব পরার বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা আরোপের পরিকল্পনা করে৷ সমালোচনাকারীরা বলছেন, নারী নির্যাতনের একটি প্রতীক হলো হিজাব৷ এর বিপরীতে আরেক পক্ষ যুক্তি দেখাচ্ছে যে, হিজাব পরিধানের বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা আরোপ ব্যক্তিস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ৷ আবার কেউ কেউ বলছেন, পোশাক নিয়ে এ ধরনের সমালোচনা ইসলামবিরোধী মনোভাবের প্রকাশ৷ 

আরআর/ডিজি (ডিপিএ, ইপিডি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন