আটক কিশোরের মৃত্যুদণ্ড হতে পারে | বিশ্ব | DW | 11.06.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

সৌদি আরব

আটক কিশোরের মৃত্যুদণ্ড হতে পারে

সৌদি আরবের মুর্তাজা কুরেইরিসের বয়স এখন ১৮৷ তার বয়স যখন ১৩ ছিল, তখন তাকে আটক করা হয়৷ কৌঁসুলিরা তার মৃত্যুদণ্ড চেয়েছেন বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল সিএনএন৷

Symbolbild - Kindesmissbrauch (Imago Images/blickwinkel)

ফাইল ফটো

কুরেইরিসের বিরুদ্ধে ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী'তে যোগ দেয়া এবং ‘রাষ্ট্রদ্রোহিতার বীজ বপনের' অভিযোগ আনা হয়েছে বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল এবং কুরেইরিসের খবর প্রথম প্রচার করা চ্যানেল সিএনএন৷ ২০১৪ সালে কুরেইরিসকে আটক করা হয়৷

তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের একটিতে বলা হয়েছে, ১০ বছর বয়সে কুরেইরিস বিক্ষোভে অংশ নেয়৷ এছাড়া ১১ বছর বয়সেও সে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিল বলে আরেকটি অভিযোগ আনা হয়েছে৷ উল্লেখ্য, ২০১১ সালে আরব বসন্তের সময় কুরেইরিসের বড় ভাইয়ের মৃত্যু হলে তাঁর মরদেহ নিয়ে আন্দোলন হয়েছিল৷ কুরেইরিস সেটিতেই অংশ নিয়েছিল বলে অভিযোগ৷

কুরেইরিস শিয়া সম্প্রদায়ের সদস্য৷ ২০১১ সালে আরব বসন্তের সময় সৌদি আরবের শিয়ারা সমানাধিকার ও তেল সম্পদ থেকে পাওয়া অর্থের আরও বড় শেয়ারের দাবিতে বিক্ষোভ করেছিলেন৷ ঐ বিক্ষোভ দমাতে সরকার তখন শক্তি প্রয়োগ করেছিল৷

সৌদি আরবের সন্ত্রাসবাদবিরোধী আদালতে ২০১৪ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ১০০-র বেশি শিয়ার বিচার হয়েছে৷ ২০১৬ সালে দেশটির শীর্ষ শিয়া নেতা শেখ নিমর আল-নিমরকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়৷ ঐ ঘটনার প্রতিবাদে তেহরানে সৌদি দূতাবাসে ভাঙচুর হয়েছে৷ পাকিস্তানেও প্রতিবাদ হয়েছে৷

এদিকে, গত এপ্রিলে সৌদি আরবে ৩৭ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে, যার বেশিরভাগই ছিলেন শিয়া৷ এদের মধ্যে এক তরুণও ছিলেন, যাকে ১৬ বছর বয়সে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল৷

সিএনএন জানিয়েছে, ২০১৮ সালে কৌঁসুলিরা কুরেইরিসের মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আবেদন করেন৷

তার বাবা ও ভাইও আটক আছেন বলে জানিয়েছে সিএনএন৷

এদিকে, অ্যাক্টিভিস্টদের অভিযোগ, ভয় দেখিয়ে কুরেইরিসের স্বীকারোক্তি আদায় করা হয়েছে৷

জাতীয় নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মামলার মতো সৌদি আরব কুরেইরিসের মামলা নিয়েও কোনো মন্তব্য করেনি৷

জেডএইচ/কেএম (এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন