আগুনের গ্রাসে অস্ট্রেলিয়া | বিশ্ব | DW | 31.12.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

অস্ট্রেলিয়া

আগুনের গ্রাসে অস্ট্রেলিয়া

কার্যত আস্ত একটা দেশ এখন আগুনের গ্রাসে ৷ অস্ট্রেলিয়ায় দাবানল কমার কোনও লক্ষণ নেই৷ আগুনে ভস্মিভূত হয়ে যাচ্ছে সাধারণ মানুষের ঘর বাড়ি৷ বহু মানুষ আশ্রয় নিচ্ছেন সমুদ্রের ধারে৷

ভয়াবহতার চূড়ান্ত সীমায় পৌঁছে গিয়েছে অস্ট্রেলিয়া৷ আগুনের গ্রাসে একের পর এক বসতি৷ সমুদ্র সৈকতে আটকে শয়ে শয়ে মানুষ৷ ভয়, সেখানেও পৌঁছে যাবে আগুনের শিখা৷ অস্ট্রেলিয়া জুড়ে দাবানল থামার তো কোনও লক্ষণই নেই, বরং প্রতিদিন বাড়ছে৷

মঙ্গলবার দক্ষিণ পূর্ব অস্ট্রেলিয়ার মালাকুটা অঞ্চলে একটি সমুদ্র সৈকতে প্রায় চার হাজার মানুষের আটকে পড়ার খবর পাওয়া গিয়েছে৷ স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, পুরো অঞ্চলটাই কার্যত দাবানলের কবলে চলে গিয়েছে৷ ফলে প্রাণ বাঁচাতে এলাকার মানুষ সমুদ্রের ধারে পৌঁছে গিয়েছেন৷ কিন্তু সমুদ্র সৈকত থেকে বার হওয়ার কোনও রাস্তা খোলা নেই৷ আগুনের বলয় ক্রমশ ধেয়ে আসছে সৈকতের দিকে৷ এই অবস্থায় নৌকো এবং বিমানে সেখানকার মানুষকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে৷ গোটা অঞ্চল ঘিরে রেখেছেন দমকলকর্মীরা৷ কিন্তু তাতেও আশ্বস্ত হওয়া যাচ্ছে না৷ মালাকুটার যখন এই অবস্থা, তখন নিউ সাউথ ওয়েলস অঞ্চলে আগুনের সঙ্গে লড়াই করতে গিয়ে এক দমকল কর্মীর মৃত্যু হয়েছে৷ প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, আচমকাই ওই অঞ্চলে শুরু হয় টর্নেডো৷ আগুনের গোলা সমেত সেই টর্নেডো আস্ত একটা দমকলকে হাওয়ায় তুলে দেয়৷ সেই গাড়ির ভিতরেই ছিলেন একজন কর্মী৷ ঘটনাস্থলেই ঝলসে মৃত্যু হয় তাঁর৷

নিউ সাউথ ওয়েলসেও বহু মানুষ গৃহহীন হয়ে সমুদ্রের ধারে আশ্রয় নিয়েছেন৷ ঘর বাড়ি সব আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে৷ এখনও পর্যন্ত ৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে৷ সব হারিয়ে সাধারণ মানুষ টুইট করে বলছেন, তাঁদের আর কিছু নেই৷

ভিডিও দেখুন 02:12

আগুন থেকে কোয়েলাকে উদ্ধার

মালাকুটার সাম্প্রতিক অবস্থা আরও আশঙ্কাজনক৷ বেশ কিছু পর্যটকও সেখানে গিয়েছিলেন৷ সমুদ্র সৈকতে তাঁরাও আটকে পড়েছেন৷ স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, চারজন পর্যটকের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না৷ তবে একই সঙ্গে আটকে পড়া সাধারণ মানুষদের ভয় না পাওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছে প্রশাসন৷ বলা হচ্ছে, তাঁদেরকে উদ্ধারের জন্য প্রশাসন সমস্ত রকম ব্যবস্থা করছে৷

মৃত্যুর খবর প্রতিদিনই আসছে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে৷ তবে এখনও পর্যন্ত মৃত্যুর সর্বমোট কোনও পরিসংখ্যান প্রশাসনের তরফ থেকে দেওয়া হয়নি৷

এসজি/কেএম (এএফপি, ডিপিএ, বিবিসি) 

সংশ্লিষ্ট বিষয়