আগামী সপ্তাহে জার্মানিতে অস্পষ্টতা কাটবে? | বিশ্ব | DW | 24.11.2017
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি

আগামী সপ্তাহে জার্মানিতে অস্পষ্টতা কাটবে?

জার্মান প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আলোচনার পর এসপিডি দল সরকার গঠনের প্রশ্নে নমনীয় অবস্থান নিয়েছে৷ এই প্রশ্নে সদস্যদের ভোট নেওয়া হবে৷ আগামী সপ্তাহে সম্ভাব্য মহাজোট সরকারের তিন শীর্ষ নেতাকে একসঙ্গে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট৷

জার্মানিতে নির্বাচন-পরবর্তী অনিশ্চয়তা কাটাতে বৃহস্পতিবারের দিনটি ছিল বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ৷ এদিন জার্মান প্রেসিডেন্ট ফ্রাংক-ভাল্টার স্টাইনমায়ার এসপিডি দলের প্রধান মার্টিন শুলৎসের সঙ্গে নিভৃতে আলোচনা করেন৷ তবে প্রকাশ্যে এ বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি৷ উল্লেখ্য, বর্তমান পরিস্থিতিতে স্থায়ী সরকার গঠনের চাবিকাঠি এসপিডি দলের হাতে৷ এতদিনের অনমনীয় মনোভাব ছেড়ে এই দল চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের ইউনিয়ন শিবিরের সঙ্গে মহাজোট সরকার গঠন করলে জার্মানির ক্ষমতাকেন্দ্রে অনিশ্চয়তা কাটতে পারে৷

শুলৎস শুক্রবার গভীর রাত পর্যন্ত দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করেন৷ প্রায় ৮ ঘণ্টা ধরে আলাপ-আলোচনার পর এসপিডি দল জানিয়েছে, তারা নীতিগতভাবে অন্য দলের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত৷ শুক্রবার শুলৎস বলেন, মহাজোট সরকারে অংশ নেবার প্রশ্নে এসপিডি দলের সদস্যদের রায় নেওয়া হবে৷ কিন্তু তিনি আরও বলেন, রায়ের ফলাফল ইতিবাচক হলেই এসপিডি সরকারের শরিক হবে, এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই৷ 

আপাতত প্রেসিডেন্ট স্টাইনমায়ার অন্যান্য দলের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে যাবেন৷ তারপর পরিস্থিতি অনুযায়ী এসপিডি দল পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে৷ অর্থাৎ আগামী সপ্তাহের আগে এ বিষয়ে কোনো অগ্রগতির সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না৷

এদিকে স্টাইনমায়ার আগামী সপ্তাহে সম্ভাব্য মহাজোট সরকারের তিন শীর্ষ নেতাকে একসঙ্গে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন৷ সিডিইউ দলের আঙ্গেলা ম্যার্কেল, সিএসইউ দলের হর্স্ট সেহোফার ও এসপিডি দলের মার্টিন শুলৎস একসঙ্গে প্রেসিডেন্টের ডাক পাওয়ায় মহাজোট গঠনের সম্ভাবনা উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে৷

নির্বাচনে দলের ঐতিহাসিক বিপর্যয়ের পর এসিপিডি নেতা মার্টিন শুলৎস সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন, ভোটারদের রায় মেনে তাঁর দল বিরোধী আসনে বসবে, এবার আর মহাজোট সরকারের অংশ হবে না৷ জামাইকা জোট গঠনের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবার পরেও তিনি নিজের অবস্থানে অটল ছিলেন৷ প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আলোচনার পর দলকে সেই অবস্থান থেকে সরে আসতে হলো৷ ফলে শুলৎস পদত্যাগ করবেন, এমন গুজব শোনা যাচ্ছিল৷ কিন্তু দলীয় নেতৃত্ব সেই সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছে৷ নিজের মুখরক্ষা করে নতুন পরিস্থিতিতে দলের মধ্যে সমর্থন আদায় করে পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে হবে৷

এসপিডি দল অন্য দলগুলির সঙ্গে আলোচনায় রাজি হলেই যে দ্রুত মহাজোট সরকার গঠন করা সম্ভব হবে, এমন কোনো নিশ্চয়তাও দেখা যাচ্ছে না৷ ম্যার্কেলের ইউনিয়ন শিবির শুরু থেকেই এসপিডি দলের জন্য দরজা খোলা রেখেছে৷ এবার তাদেরই প্রথম উদ্যোগ নিতে হবে৷ মহাজোটের পাশাপাশি অন্য একটি বিকল্পের কথাও এসপিডি মহলে শোনা যাচ্ছে৷ ইউনিয়ন শিবিরের দুই দল মিলে মন্ত্রিসভা গঠন করলে এসপিডি সেই সংখ্যালঘু সরকারকে বাইরে থেকে সমর্থন দিতে পারে৷ তবে ম্যার্কেল এমন সমাধানসূত্র মেনে নেবেন, তা মনে করা কঠিন৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন