আইসিসির যুদ্ধাপরাধ তদন্ত মিয়ানমারের প্রত্যাখ্যান | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 16.11.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

মিয়ানমার

আইসিসির যুদ্ধাপরাধ তদন্ত মিয়ানমারের প্রত্যাখ্যান

রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমার সেনাবাহিনীর দমন-পীড়ন অভিযানে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে কিনা, তা তদন্তে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) উদ্যোগ প্রত্যাখ্যান করেছে দেশটির সরকার৷ একে অবৈধ বলে অভিহিত করেছ তারা৷

রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে নির্যাতনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে কি না তা তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)৷ পূর্ণ তদন্ত শুরুর জন্য আইসিসির কৌঁসুলি ফাতু বেনসুদার একটি আবেদনের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার এই অনুমোদন দেয়া হয়েছে৷ রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিরুদ্ধে নৃশংসতার অভিযোগের তদন্তে এটিই হচ্ছে প্রথম কোনো আন্তর্জাতিক আদালতের উদ্যোগ

তবে মিয়ানমার বলছে তাদের বিরুদ্ধে তদন্তের এই উদ্যোগ কোনভাবেই আইসঙ্গত নয়৷ শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে সরকারের মুখপাত্র জো টে বলেন, ‘‘মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আইসিসির তদন্ত আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়৷''

মিয়ানমার এখনও আইসিসি সনদে স্বাক্ষর করেনি, তাই দেশটি এই ট্রাইব্যুনালের সদস্যও নয়৷ কিন্তু আইসিসি বলছে, রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়া বাংলাদেশ সংস্থাটির সদস্য হওয়ায় এই তদন্তের এখতিয়ার তাদের রয়েছে৷ টে এই উদ্যোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেন, ‘‘মিয়ানমার তার নিজস্ব কমিটি দিয়েই প্রয়োজনে যেকোন নির্যাতনের তদন্ত এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে৷''

‘‘মিয়ানমার এবং সরকার কোনো কিছু অস্বীকার করেনি কিংবা চোখও বন্ধ করে নেই,'' যোগ করেন তিনি৷

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট রাখাইনে নিরাপত্তা বাহিনীর বেশ কিছু স্থাপনায় বিদ্রোহীদের হামলার অভিযোগে রোহিঙ্গাদের উপর অভিযান শুরু করে সেনাবাহিনী৷ এর ফলে গত দুই বছরে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়৷

রোহিঙ্গারা উপর চালানো নির্বিচারে হত্যা, ধর্ষণ, জ্বালাও-পোড়াওয়ের ভয়াবহ বিবরণ তুলে ধরে একে জাতিগত নির্মূল অভিযান হিসেবে আখ্যায়িত করেছে জাতিসংঘ

মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের অভিযোগে মিয়ানমারের বিচার করার এখতিয়ার হেগের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের রয়েছে বলে সিদ্ধান্ত আসার পর দেশটির বিরুদ্ধে প্রাথমিক তদন্ত শুরু হয়েছিল৷

গত বুধবার একাধিক রোহিঙ্গা ও অন্যান্য মানবাধিকার সংগঠন আর্জেন্টিনায় মিয়ানামারের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে৷ আং সান সূ চির সাথে এই মামলায় অভিযুক্তের তালিকায় রয়েছেন মিয়ানমারের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও রাজনৈতিক নেতারাও৷

এর আগে সোমবার মিয়ানমারের বিরুদ্ধে নেদারল্যান্ডসের হেগের দি ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে (আইসিজে) অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশনের পক্ষে মামলা দায়ের করেছে গাম্বিয়া৷ মামলার অভিযোগে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রাখাইন রাজ্যে বসবাসরত রোহিঙ্গা মুসলমানদের নির্বিচারে হত্যা, ধর্ষণ এবং তাদের বাড়িঘর ধ্বংসের কথা বলা হয়েছে৷

এফএস (এএফপি, রয়টার্স, এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন