1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান
IS-Anhängerin Shamima Begum aus Großbritannien
ছবি: Getty Images/L. Lean

শামীমা ‘বাংলাদেশের নাগরিক নন’

২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

আন্তর্জাতিক জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট বা আইএস-এ যোগ দেয়া ব্রিটিশ নাগরিক শামীমা বেগম বাংলাদেশের নাগরিক নন বলে জানিয়েছে ঢাকা৷ ব্রিটেন ইতোমধ্যে তাঁর নাগরিকত্ব বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷

https://www.dw.com/bn/%E0%A6%86%E0%A6%87%E0%A6%8F%E0%A6%B8-%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A7%80-%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%80%E0%A6%AE%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%A8%E0%A6%A8/a-47618075

২০১৫ সালে আইএস-এ যোগ দেয়া বেগম কোনোভাবেই বাংলাদেশের নাগরিক নন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়৷ ব্রিটেন তার নাগরিকত্ব বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়ার পর বুধবার বাংলাদেশের তরফ থেকে এই তথ্য জানানো হয়৷ ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (হোম অফিস) অবশ্য এই ধারণা প্রকাশ করেছিল যে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বেগম বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পাওয়ার আইনি অধিকার রয়েছে৷

দুই বন্ধুসহ ২০১৫ সালে আইএস-এ যোগ দিতে লন্ডন থেকে সিরিয়া পাড়ি জমান শামীমা বেগম৷ তখন তার বয়স ছিল মাত্র ১৫ বছর৷ বর্তমানে তিনি সিরিয়ার একটি শরণার্থী শিবিরে রয়েছেন, যেখানে সপ্তাহান্তে তিনি তাঁর তৃতীয় সন্তান জন্ম দিয়েছেন৷ তার আগের দুই সন্তান অবশ্য আগেই মারা গেছে৷ নিজের সন্তানকে ব্রিটেনে বড় করার সুযোগ দিতে দেশটির সরকারের প্রতি সহানুভূতি কামনা করেছিলেন তিনি, যদিও আইএস-এ যোগ দেয়া নিয়ে কোনো ধরনের অনুশোচনা নেই তাঁর৷ 

ব্রিটেন সরকার সাধারণত কোনো নাগরিক রাষ্ট্রের জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত হলে তাঁর নাগরিকত্ব বাতিল করতে পারে৷ তবে এক্ষেত্রে শর্ত হচ্ছে সেই নাগরিকের যদি রাষ্ট্রহীন হয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে তাহলে নাগরিকত্ব বাতিল করা যায় না৷ বেগমের ব্রিটিশ এবং বাংলাদেশি নাগরিকত্ব রয়েছে বলে ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে নানা সূত্রে প্রকাশ হয়েছে৷

তবে, শামীমা বেগম জানিয়েছেন তিনি কখনো বাংলাদেশে যাননি এবং বাংলাদেশি পাসপোর্টও তাঁর নেই৷ বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও বেগম কখনো দ্বৈত নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেননি বলে জানিয়েছে৷ ফলে তাঁর জন্মভূমি যুক্তরাজ্যের পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশেরও নাগরিক বলে যে তথ্য প্রকাশ হয়েছে, তা সঠিক নয় বলে দাবি ঢাকার৷

এদিকে, নাগরিকত্ব বাতিলের ব্রিটিশ সিদ্ধান্তকে তিনি এবং তাঁর সন্তানের প্রতি ‘কিছুটা অন্যায়' আচরণ বলে মনে করছেন বেগম৷ তিনি বলেন, ‘‘এটা আমার জন্য কিছুটা কিছুটা হতাশাজনক৷'' তবে তাঁর আইএস যোদ্ধা স্বামী, যিনি বর্তমানে সিরিয়ায় বন্দি রয়েছেন বলে গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে, নেদারল্যান্ডসের নাগরিক হওয়ায় সেদেশে আশ্রয় পাওয়ার ব্যাপারে চেষ্টা করবেন বলে জানিয়েছেন বেগম৷

এআই/জেডএইচ (এএফপি, এপি, রয়টার্স)

স্কিপ নেক্সট সেকশন ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

Bangladesch Gewalt unter Studentengruppen

মাঠে লাঠি, কথায় লাঠি কোন দিকে যাচ্ছে রাজনীতি

স্কিপ নেক্সট সেকশন ডয়চে ভেলে থেকে আরো সংবাদ

ডয়চে ভেলে থেকে আরো সংবাদ

প্রথম পাতায় যান