আইএসের জিহাদের ডাক, পাত্তা দিচ্ছে না ঢাকা | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 12.08.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

আইএসের জিহাদের ডাক, পাত্তা দিচ্ছে না ঢাকা

নতুন এক ভিডিওতে বাংলাদেশে জিহাদের ডাক দিয়েছে ইসলামিক স্টেটের (আইএস) সদস্যরা৷ ওই ভিডিওতে তাদের আইএস নেতা আবু বকর আল-বাগদাদির কাছে বাংলা ভাষায় জিহাদে অংশ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিতে দেখা যায়৷

তবে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলছেন, বাংলাদেশে আইএস বলে কিছু নেই, এখানে যারা আসবে তারা বিপদে পড়বে এবং কিছুতেই ঘাঁটি গাড়তে পারবে না৷

ভিডিওটি এখনো বাংলাদেশ সরকারের নজরে না এলেও ওই ভিডিওতে যারা বাংলায় কথা বলেছেন তাদের শনাক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী৷

ভারতের জিনিউজ এক প্রতিবেদনে জানায়, সন্ত্রাসী সংগঠন আইএস-এর ‘বাংলাদেশ ইউনিট’ গত সপ্তাহে আমাক এজেন্সি এবং আইএসপন্থী টেলিগ্রাম চ্যানেলগুলোর মাধ্যমে ‘দ্য বেস্ট আউটকাম ইজ ফর পায়াস' শিরোনামে একটি ভিডিও প্রকাশ করে৷

তাতে দেখা যায়, আইএস-এর দুই সদস্য সুইসাইড জ্যাকেট পরে এবং মেশিনগান নিয়ে সংগঠনটির নেতা আবু বকর আল-বাগদাদীর কাছে জিহাদে অংশ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন৷ ভিডিওটিতে আইএস-এর চারজন সদস্য বাংলায় কথা বলেন এবং শেখ হাসিনা সরকার, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এবং ব়্যাবের সমালোচনা করেন৷

অডিও শুনুন 01:53

‘আমাদের এখানে আইএস-ফাইএস বলে কিছু নেই’

ভিডিওতে বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং  হিন্দু ও বৌদ্ধ পুরোহিতদের কিছু চিত্র দেখানো হয়৷ এছাড়া আইএসের সাবেক হামলাকারী ছাড়াও পুলিশের গুলি খাওয়ার আগে ওর্সবার্গের কাছে একটি ট্রেনে হামলা করে চার জনকে আহত করা রিয়াজ খান আহমদজাইকে দেখানো হয় ওই ভিডিওতে৷

ভিডিওতে বাংলাদেশ সরকারের অফিস, নির্বাচনি কেন্দ্র এবং হিন্দুদের ওপর হামলার আহ্বান জানানো হয়েছে বলে সংবাদ জিনিউজের৷

এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল সোমবার ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘ভিডিওটা আমরা এখনো দেখিনি, আর কেউ বাংলায় কথা বললেই যে তারা বাংলাদেশি, এমন কোনো কথা নেই৷ কারণ, বাংলাদেশ থেকে গিয়ে অনেকে অ্যামেরিকা বা বিট্রিশ নাগরিকত্ব নিয়েছেন তারা কিন্তু বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক রাখে না৷ ভারতের ১২ কোটি মানুষ বাংলায় কথা বলেন৷ অনেক মানুষ বাংলায় কথা বলে, কাজেই বাংলায় কথা বললেই তারা যে বাংলাদেশি এমন কোনো কথা নেই৷''

‘‘আর আমাদের এখানে আইএস-ফাইএস বলে কিছু নেই, এখানে (বাংলাদেশে) যারা আসবে তারা বিপদে পড়বে৷ তাদেরকে আমরা ডিটেক্ট করব৷, এখানে ঘাঁটি গাড়তে পারবে না৷ (ভিডিওতে যারা বাংলায় কথা বলেছেন তারা) বাংলাদেশের কিনা আমরা নিশ্চিত নই, তবে আমাদের কোনো বাংলাদেশি এগুলো করে বলে আমাদের জানা নেই৷ যেহেতু আমরা নিশ্চিত নই, কাজেই আমরা তাদের পরিচয় সম্বন্ধে সন্ধিহান, তাদের শনাক্ত করার চেষ্ট করব৷ ভিডিওটি এখনো আমার নজরে আসেনি৷ হয়ত যারা এটি নিয়ে কাজ করেন, তাদের নজরে এসেছে৷''

অডিও শুনুন 01:04

‘সব তৎপরতা আমরা মনিটরিংয়ে রাখছি’

এরকম ভিডিও বিভিন্ন সাইট থেকে প্রায়ই আপলোড করা হয় দাবি করে ব়্যাবের মুখপাত্র মো. এমরানুল হাসান ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘শুধু ব়্যাব না, ওরা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জড়িয়ে অনেক সময় স্টেস্টমেন্ট দেয়৷ যারা জঙ্গিবাদ ছাড়ায়, তারা আসলে প্রচলিত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিশ্বাস করে না, যখনই সাইটে আসে সরকারবিরোধী কথা, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, বিচারক, দেশের বিভিন্ন প্রশংসনীয় লোকদের প্রতি তাদের আক্ষেপ ওই ভিডিওতে লক্ষ্য করা যায়৷ আমাদের একটা সাইবার মনিটরিং সেল আছে এবং আমরা এগুলো সব সময় নজরদারিতে রাখি৷ আমরা সব সময় এসব বিষয়ে সতর্ক পদক্ষেপ নেই৷''

তিনি বলেন, ‘‘ঈদ উৎসবকে কেন্দ্র করে এবং আগস্টের শোক দিবসের অনুষ্ঠান নিয়ে আমাদের তৎপরতা রয়েছে, যে কোনো ধরনের তৎপরতা হলে আমরা মনিটরিংয়ে রাখব এবং ব্যবস্থা নেব৷''

নির্বাচিত প্রতিবেদন

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন