অ্যাসিড হামলার শিকার জার্মান জ্বালানি নির্বাহী | বিশ্ব | DW | 05.03.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি

অ্যাসিড হামলার শিকার জার্মান জ্বালানি নির্বাহী

জার্মানির অন্যতম বড় জ্বালানি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান আরডাব্লিউই'র পুর্নব্যবহার্য জ্বালানি বিষয়ক সহযোগী সংস্থার প্রধান অর্থ কর্মকর্তা অ্যাসিড হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন৷ ড্যুসেলডর্ফে একটি পার্কের কাছে এই ঘটনা ঘটে৷

জার্মানির একজন জ্বালানি নির্বাহী অ্যাসিড হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন বলে তাঁর কোম্পানি সোমবার ভোরে নিশ্চিত করেছে৷ ইনোগি'র প্রধান অর্থ কর্মকর্তা বের্নহার্ড গ্যুন্থার ড্যুসেলডর্ফের শহরতলী হানে একটি পার্ক অতিক্রম করার সময় আক্রান্ত হন৷

‘‘আমরা স্তম্ভিত,'' বলেন ইনোগি'র চেয়ারম্যান উয়ি টিগস৷ ‘‘আমরা বেনহার্ড এবং তাঁর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি এবং তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি৷''

পুলিশকে দেয়া এক বিবৃতিতে গ্যুন্থার জানিয়েছেন, ‘‘অজ্ঞাতপরিচয়ের দুই ব্যক্তি তাঁর চেহারার উপর অ্যাসিড ছুঁড়ে মেরে পায়ে হেঁটে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়৷''

৫১ বছর বয়সি বেনহার্ড তখন কোনোমতে বাড়িতে পৌঁছে সাহায্য চান৷ পরবর্তীতে তাঁকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেয়া হয়৷ তাঁর শারীরিক অবস্থা এখন শঙ্কামুক্ত বলে জানা গেছে৷

এদিকে, ড্যুসেলডর্ফের পুলিশ জানিয়েছে, গ্যুন্থারের উপর হামলার সম্ভাব্য সব কারণই খতিয়ে দেখা হচ্ছে৷ তবে এই মুহূর্তে তারা নির্দিষ্ট কোন কারণ জানাতে পারছেন না৷

জার্মানির জনপ্রিয় দৈনিক পত্রিকা বিল্ড লিখেছে, ‘‘জার্মানির কোলন এবং আখেনের মাঝে অবস্থিত এক জঙ্গল নিয়ে পরিবেশবাদীদের সঙ্গে আরডাব্লিউই'র মধ্যকার দ্বন্দ্বের জের ধরে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে কিনা তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা৷''

হামবাখ জঙ্গলটি বারো হাজারেরও বেশি পুরনো এবং জার্মানির অন্যান্য জঙ্গলের চেয়ে এটির জীববৈচিত্র অনেক বিস্তৃত৷ তবে নানা উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের কবলে পড়ে জঙ্গলটির মাত্র দশ শতাংশ এখন অবশিষ্ট রয়েছে৷ এই জঙ্গলের পাশে অবস্থিত আরডাব্লিউই'র উন্মুক্ত কয়লা খনিকে কেন্দ্র করে ২০১২ সাল থেকে পরিবেশবাদীদের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির বিরোধ চলছে৷ ৩৩ বর্গমাইল বিস্তৃত এই কয়লা খনিটি ইউরোপের মধ্যে সবচেয়ে বড়৷

হামবাখের জঙ্গলে যাতে আরডাব্লিউই'র গাড়ি প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য গত কয়েকবছর ধরেই আন্দোলন করছেন পরিবেশবিদরা৷ এমনকি, জঙ্গলের মধ্যে গাছে দিনের পর দিন অবস্থানও করেছেন অনেক অ্যাক্টিভিস্ট৷

এআই/এসিবি (এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন