1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

অ্যাসপারগার সিনড্রোমে ভুগছেন ইলন মাস্ক

১০ মে ২০২১

টেসলা ও স্পেস-এক্সের প্রধান ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক জানিয়েছেন, তিনি অ্যাসপারগার সিনড্রোমে ভুগছেন। শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের একটি জনপ্রিয় টেলিভিশন কমেডি-শোতে নিজের এ শারীরিক অবস্থার কথা জানান তিনি।

https://p.dw.com/p/3tCLh
New York Elon Musk  Saturday Night Live
ছবি: NBC/Zuma/picture alliance

যুক্তরাষ্ট্রের এনবিসি চ্যানেলের বিখ্যাত লেইট নাইট শো ‘সেটারডে নাইট লাইভ’ (এসএনএল) অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করতে গিয়ে এ বিলিয়নিয়ার বলেন, ‘‘আজ আমি একটি ইতিহাস গড়তে যাচ্ছি। অ্যাসপারগার সিনড্রোম নিয়ে এসএনএল অনুষ্ঠান করা প্রথম জন আমি, অন্তত এ সমস্যা স্বীকার করেছেন এমন ব্যক্তিদের মধ্যে প্রথম৷’’ 

অ্যাসপারগার সিনড্রোমকে চিকিৎসা বিজ্ঞানে ছোটখাট ধরনের অটিজম বলা হয়ে থাকে। এর মূল লক্ষণ হলো ভাষাগত ও মনোভাব আদান-প্রদানজনিত জটিলতা যার ফলে সামাজিক যোগাযোগ ও সর্ম্পক তৈরিতে প্রভাব পড়ে।

টকশোটিতে ইলন মাস্কের মাও উপস্থিত ছিলেন। তিনি ছেলের শৈশবের বিভিন্ন স্মৃতি দর্শকদের কাছে তোলে ধরেন।

জনপ্রিয় এ শোটিতে উপস্থিত এ উদ্যোক্তা নিজের করা বিভিন্ন টুইটের বিষয়েও কথা বলেন। উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইলন মাস্কের কিছু টুইট বিতর্কের জন্ম দেয়। কয়েক সপ্তাহ আগে 'চাঁদে কুকুর ডাকছে' বলে একটি টুইট করেন তিনি।

তার আগে থাইল্যান্ডে গুহায় আটকে পড়া শিশুদের উদ্ধার করতে যাওয়া এক ব্রিটিশ বিশেষজ্ঞ খননকারীকে ‘পেডো গাই’ বলে টুইট করেছিলেন মাস্ক। এমন টুইটের ফলে তাকে আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়েছিল।

টুইটের বিষয়ে ইলন মাস্ক বলেন, ‘‘দেখুন, আমি জানি যে, মাঝে মাঝে আমি অদ্ভুত বিষয়ে বলি বা টুইট করি। আমার ব্রেইন আসলে এভাবে কাজ করে।’’

স্পেস-এক্সের প্রতিষ্ঠাতা বলেন, ‘‘যারা আমার টুইটের কারণে আঘাত পেয়েছেন তাদেরকে বলতে চাই, আমি ইলেকট্রিক কার নতুনভাবে তৈরি করেছি, আমি স্পেসশিপে করে মঙ্গল গ্রহে মানুষ পাঠাচ্ছি। আপনারা কি ভেবেছিলেন যে, আমি খুব আমুদে ও সাধারণ একজন!’’   

অ্যামেরিকান এ কমেডি-শোটিতে এখন পর্যন্ত অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি ইলন মাস্ক। ফোর্বস ম্যাগাজিনের তথ্য অনুযায়ী, ৪৯ বছর বয়স্ক এলন মাস্ক বিশ্বের কয়েকজন শীর্ষ ধনীদের একজন। তার মোট সম্পদের পরিমাণ ৯৬ বিলিয়ন ইউরো বা ১১৭ বিলিয়ন ডলার।

আরআর/কেএম (এপি)