অ্যামেরিকা, ইইউ-র চীন নীতি আলাদা: ম্যার্কেল | বিশ্ব | DW | 26.03.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

অ্যামেরিকা, ইইউ-র চীন নীতি আলাদা: ম্যার্কেল

ইইউ-র ২৭টি দেশের সঙ্গে ১১ বছর পর আবার শীর্ষবৈঠকে অ্যামেরিকা। সেখানেই চীন নিয়ে ম্যার্কেল স্পষ্ট মন্তব্য করলেন।

১১ বছর পর ইইউ-র ২৭টি দেশের প্রধানের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্টের আলোচনা হলো।

১১ বছর পর ইইউ-র ২৭টি দেশের প্রধানের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্টের আলোচনা হলো।

জার্মান চ্যান্সেলার ম্যার্কেল বলেছেন, ইইউ ও অ্যামেরিকা অনেক বিষয়েই একমত। কিন্তু চীনের প্রতি নীতি নিয়ে তাদের মত আলাদা। ম্যার্কেল এই সোজাসাপটা মন্তব্য করেছেন, অ্যামেরিকার প্রেসিডেন্ট বাইডেনের সঙ্গে ইইউ-র ২৭টি দেশের প্রধানদের সঙ্গে ভিডিও বৈঠকে। ২০০৯ সালের পর এই প্রথম অ্যামেরিকার প্রেসিডেন্ট ইইউ-র ২৭টি দেশের প্রধানের সঙ্গে কথা বললেন। ট্রাম্পের আমলে ইইউ-র সঙ্গে অ্যামেরিকার সম্পর্ক খারাপ হয়েছিল। বাইডেন এখন তা ঠিক করার চেষ্টা করছেন।

সেই ভিডিও বৈঠকে ম্যার্কেল বলেন, ''আমরা দেখতে পাচ্ছি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও আইনের শাসন চাপের মধ্যে পড়েছে।'' তারপরই তিনি চীনের উদাহরণ দেন এবং বলেন, ''তার মানে এই নয় যে, অ্যামেরিকা ও ইইউ সব ব্যাপারে একমত হবে।'' তার মতে, চীন নিয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাদের মতের মিল নেই। এটা একেবারেই পরিষ্কার। ম্যার্কেল বলেছেন, যেটা গুরুত্বপূর্ণ তা হলো চীন নিয়ে ইইউ-র দেশগুলির মধ্যে মতের মিল থাকা।

চীন নিয়ে অ্যামেরিকা ও ইইউ

ইইউ চীনের সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করতে চায়। ২০২০-র শেষ দিকে ইইউ ও চীন বিনিয়োগ চুক্তি করেছিল। তার নাম কম্প্রিহেনসিভ এগ্রিমেন্ট অন ইনভেস্টমেন্ট(সিএআই)। এর ফলে চীনে কিছু শিল্পের ক্ষেত্রে ইইউ-র বিনিয়োগের পথে  বাধা দূর হয়েছিল।

কিন্তু ট্রাম্পের আমলে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য নিয়ে অ্যামেরিকা খুবই কঠোর নীতি নেয়। করোনাকালে দুই দেশের সম্পর্ক আরো খারাপ হয়। মানবাধিকার ও দক্ষিণ চীন সাগর নিয়েও দুই দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। সম্প্রতি আলাস্কায় অ্যামেরিকা ও চীনের মধ্যে একটি বৈঠক হয়েছে। সেখানে দুই দেশই একে অপরের বিরুদ্ধে সমানে অভিযোগ করেছে। ফলে সম্পর্ক পরিবর্তনের কোনো ইঙ্গিত মেলেনি।

তবে এখন ইইউ-র সঙ্গে সম্পর্ক ভাল করার চেষ্টা করছেন বাইডেন। দুই তরফ একসঙ্গে কাজ করতে চায় তার ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে। বোয়িং ও এয়ারবাস নিয়ে বিরোধের সময় ট্রাম্পের আমলে অ্যামেরিকা ও ইইউ একে অপরের বিরুদ্ধে মাসুল চাপিয়ে দিয়েছিল। সেটা থেকে সরে আসার ব্যাপারে দুই পক্ষ রাজি হয়েছে। করোনা ও পরিবেশ নিয়ে একসঙ্গে কাজ করা নিয়েও বাইডেন এবং ইইউ-র দেশের প্রধানরা রাজি হয়েছেন। চীনের উইগুর নীতির বিরোধিতা করার ব্যাপারেও তারা একমত হয়েছেন।

জিএইচ/এসজি(রয়টার্স, এএফপি)

সংশ্লিষ্ট বিষয়