অ্যামেরিকায় শরণার্থীদের প্রবেশ আরো কঠিন করছেন ট্রাম্প | বিশ্ব | DW | 09.11.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

যুক্তরাষ্ট্র

অ্যামেরিকায় শরণার্থীদের প্রবেশ আরো কঠিন করছেন ট্রাম্প

নতুন নিয়মের আওতায় অ্যামেরিকার দক্ষিণ সীমান্তে বেআইনি অনুপ্রবেশকারীরা আর রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করতে পারবেন না৷ মধ্য অ্যামেরিকার শরণার্থীদের ‘ক্যারাভান' থামাতেই এই উদ্যোগ৷

শুধু নির্বাচনের প্রচারের স্বার্থে নয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে শরণার্থীদের প্রবেশ আরো কঠিন করে তুলতে ট্রাম্প প্রশাসন সত্যি কতটা বদ্ধপরিকর, তার প্রমাণ আবার পাওয়া গেল৷ বিশেষ করে দক্ষিণে মেক্সিকো সীমান্তে বেআইনি অনুপ্রবেশ রুখতে বিতর্কিত কিছু পদক্ষেপের কথা জানা গেল৷ এই নীতির মূলমন্ত্র হলো, বেআইনিভাবে অ্যামেরিকায় প্রবেশ করলে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করা সম্ভব হবে না৷ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মতে, মার্কিন অভিবাসন ব্যবস্থার ‘অভূতপূর্ব অপব্যবহার'-এর প্রেক্ষিতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে৷ অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা মন্ত্রণালয় এই নতুন নিয়মাবলি প্রকাশ করেছে৷ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বাক্ষর করলেই এই পদক্ষেপ কার্যকর করা হবে৷

এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে মূলত মধ্য অ্যামেরিকার দেশগুলি থেকে আসা শরণার্থীরা এবার থেকে মার্কিন সীমান্তের নির্ধারিত কয়েকটি জায়গায় রাজনৈতিক অথবা অন্য কোনো ধরনের আশ্রয়ের আবেদন করতে পারবেন৷

এমন বিতর্কিত নিয়মাবলি প্রকাশিত হবার পর একাধিক মহলে সমালোচনা শোনা যাচ্ছে৷ সেইসঙ্গে আদালতে এই পদক্ষেপ চ্যালেঞ্জ করার প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে৷ অ্যামেরিকান সিভিল লিবার্টিস ইউনিয়ন জানিয়েছে, রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদনের অধিকার সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হওয়া উচিত৷ সেই ব্যক্তি কোথায় রয়েছেন, তাতে কিছু এসে যায় না৷ মার্কিন আইন অনুযায়ী, যে কোনো ব্যক্তি আশ্রয়ের আবেদন জানাতে পারেন৷ সে সময়ে তাঁকে সীমান্তের বৈধ প্রবেশপথে থাকার প্রয়োজন নেই৷

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ‘জাতীয় স্বার্থে' বেআইনি অনুপ্রবেশ খর্ব করতে পারবেন৷ উল্লেখ্য, অতীতেও তিনি একই কারণ দেখিয়ে কয়েকটি মুসলিম-প্রধান দেশ থেকে অ্যামেরিকায় প্রবেশের উপর নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছিলেন৷ প্রাথমিক আইনি বাধা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্ট গত জুন মাসে সেই সিদ্ধান্তের চূড়ান্ত সংস্করণ অনুমোদন করেছিল৷ অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা মন্ত্রী কির্স্টিয়েন নিলসেন ও কার্যনির্বাহী বিচারমন্ত্রী ম্যাথিউ উইটেকার বলেন, সেই একই নীতির আওতায় মেক্সিকো সীমান্তে এমন নিয়ন্ত্রণ কার্যকর করা হচ্ছে৷

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন ব্যবস্থার দুর্বলতা সম্পর্কে দুই রাজনৈতিক শিবিরই সচেতন৷ তবে ট্রাম্প প্রশাসন যেভাবে বিষয়টিকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করে চলেছে, তার বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় উঠছে৷ সাম্প্রতিক মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রচারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দক্ষিণ সীমান্তে শরণার্থীদের ঢল সম্পর্কে এমন সব দাবি করেছেন, যার সপক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি৷ এমনকি সীমান্ত থেকে কয়েকশ' মাইল দূরে শরণার্থীদের ‘ক্যারাভান'-কে তিনি দেশের উপর হামলা হিসেবেও তুলে ধরেছেন৷

এসবি/এসিবি (এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন