অ্যামেরিকায় ফের গুলি, আহত পুলিশ | বিশ্ব | DW | 24.09.2020

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

অ্যামেরিকা

অ্যামেরিকায় ফের গুলি, আহত পুলিশ

অ্যামেরিকায় ফের বর্ণবাদ বিরোধী বিক্ষোভ। ফের চলল গুলি। আহত দুই পুলিশ অফিসার।

অ্যামেরিকার লুইভিলে কৃষ্ণাঙ্গ তরুণী ব্রেওনাকে গুলি করে মেরেছিল পুলিশ। ক্ষতিপূরণ হিসেবে ওই তরুণীর মায়ের হাতে বিপুল পরিমাণ অর্থ তুলে দিয়েছিলেন রাজ্যের মেয়র। কিন্তু তাতেও শেষ রক্ষা হলো না। ওই তরুণীর মাকে মেয়র কথা দিয়েছিলেন, দোষীদের শাস্তি হবে। কিন্তু বুধবার মার্কিন আদালত অভিযুক্ত তিন পুলিশ অফিসারের একজনকে অভিযুক্ত করেছে। দুইজনের উপর থেকে চার্জ তুলে নেওয়া হয়েছে। অভিযোগ, যাঁকে অভিযুক্ত করা হয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধেও অভিযোগের মাত্রা কম। এরই প্রতিবাদে বুধবার লুইভিলে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে পড়েন। অভিযোগ, বিক্ষোভকারীরা মিছিল থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছেন। ঘটনায় দুই পুলিশ আহত হয়েছেন।

পুলিশও জানিয়েছে, দুই অফিসার গুলিতে আহত হয়েছেন। তবে তাঁদের অবস্থা স্থিতিশীল। কে বা কারা গুলি চালালো, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, বর্ণবাদ এবং ব্রেওনা হত্যা মামলাকে কেন্দ্র করে বুধবার ফের উত্তাল হয়ে ওঠে লুইভিল। কারণ ওই দিনই জানা গিয়েছে ব্রেওনা হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত দুই পুলিশ অফিসার অভিযোগ থেকে মুক্তি পেয়েছেন। আদালতে তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রমাণ করা যায়নি। একজন অফিসারের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন হলেও তাতে খুব কঠিন সাজা মিলবে না।

এরই প্রতিবাদে হাজার হাজার প্রতিবাদী রাস্তায় নেমে পড়েন। ব্রেওনা হত্যার বিচার চেয়ে জায়গায় জায়গায় তাঁরা মিছিল করেন। অভিযোগ তেমনই এক মিছিল থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। তাতে দুই পুলিশ আহত হন। যদিও তাঁদের অবস্থা এখন স্থিতিশীল।

বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চার্জ তৈরি করে পুলিশ। তারই ভিত্তিতে আদালতে তার বিচার হয়। অভিযুক্তদের বাঁচানোর জন্য লুইভিলের পুলিশ অভিযুক্তদের আড়াল করে চার্জ গঠন করেছিল। সে কারণেই আদালতে দুইজন মুক্তি পেয়ে গিয়েছে।

এ দিকে আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, স্থানীয় মেয়র কথা দিয়েছিলেন, অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হবে। পুলিশ বিভাগের সংস্কার হবে। বাস্তবে তার কোনো কিছুই হয়নি।

এসজি/জিএইচ (রয়টার্স)