অ্যাটর্নি জেনারেলের আনুগত্য পাচ্ছেন না ট্রাম্প | বিশ্ব | DW | 24.08.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

যুক্তরাষ্ট্র

অ্যাটর্নি জেনারেলের আনুগত্য পাচ্ছেন না ট্রাম্প

প্রেসিডেন্ট হয়েও এমন অসহায় বোধ করতে পছন্দ করছেন না ট্রাম্প৷ তাই এফবিআই ও বিচার মন্ত্রণালয়ের উপরও চাপ সৃষ্টি করে নিজের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে চাইছেন তিনি৷ তবে অ্যাটর্নি জেনারেল তাঁর বিরোধিতা করছেন৷

চারিদিকে চাপের মুখে পড়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একাধিক কর্তৃপক্ষের উপর চাপ, পালটা চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা করছেন৷ এফবিআই-এর পর এমনকি অ্যাটর্নি জেনারেলকেও আক্রমণ করতে তাঁর বাধ সাধেনি৷ এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প সরাসরি জেফ সেশনস-এর সমালোচনা করেন৷ ২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপের অভিযোগ তদন্তের ক্ষেত্রে প্রভাব এড়াতে সেশনস ‘রিকিউজ' করায়, অর্থাৎ নিজেকে সরিয়ে নিয়ে ভালো করেননি বলে মনে করেন ট্রাম্প৷ উলটে বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণ হাতে নিয়ে তাঁর প্রেসিডেন্টকে রক্ষা করা উচিত ছিল, বলেন ট্রাম্প৷ কারণ, তিনিই সেশনসকে এই পদে নিযুক্ত করেছিলেন৷

প্রেসিডেন্টের রোষ সত্ত্বেও সেশনস স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, বিচার মন্ত্রণালয় রাজনৈতিক প্রভাবের ঊর্দ্ধে এবং শপথ গ্রহণ করেই তিনি বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণ হাতে নিয়েছেন৷ কমপক্ষে তিনি যতদিন এই পদে রয়েছেন, ততদিন অন্যায় রাজনৈতিক প্রভাব খাটবে না৷ এক মুখপাত্রের মাধ্যমে অ্যাটর্নি জেনারেল আরো জানিয়েছেন যে, তিনি এ ক্ষেত্রে উচ্চতম মানদণ্ড নিশ্চিত করতে চান এবং সেটা সম্ভব না হলেই তিনি পদক্ষেপ নেবেন৷

ট্রাম্প সেশনসকে বরখাস্ত করতে পারেন, এমন জল্পনা-কল্পনা সত্ত্বেও রিপাবলিকান দলের কিছু সংসদ সদস্য তাঁর প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন৷ নভেম্বরের মধ্যবর্তীকালীন নির্বাচনের আগে ট্রাম্প এমন পদক্ষেপ নেবেন না বলে অনুমান করা হচ্ছে৷ নির্বাচনের পর তিনি প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা প্রয়োগ করে ম্যানাফোর্টকে ক্ষমা করতে পারেন বলেও শোনা যাচ্ছে৷

প্রেসিডেন্টের ঘনিষ্ঠ বলয়ের একের পর এক ব্যক্তি আইনি প্যাঁচে জড়িয়ে পড়ায় হোয়াইট হাউসে উদ্বেগ বেড়ে চলেছে৷ ২০১৬ সালে ট্রাম্পের প্রচারাভিযানের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি পল ম্যানাফোর্ট ও ট্রাম্পের প্রাক্তন আইনজীবী মাইকেল কোয়েন বিভিন্ন অপরাধের কারণে কারাগারে যেতে চলেছেন৷ এছাড়া অ্যামেরিকান মিডিয়া কোম্পানির কর্ণধার এতকাল ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ডেভিড পেকার আইনি রক্ষাকবচের আশ্বাস পেয়ে ফেডারেল কৌঁসুলিদের সঙ্গে সহযোগিতা করতে রাজি হয়েছেন বলে জানা গেছে৷ ট্রাম্পের নির্বাচনি প্রচার অভিযানে আর্থিক অসঙ্গতির তদন্তের ক্ষেত্রে তিনি অজানা তথ্য দিতে পারেন৷ ফলে কোয়েন ছাড়াও দ্বিতীয় কোনো ব্যক্তি অর্থের বিনিময়ে দুই নারীর মুখ বন্ধ করার অভিযোগ সম্পর্কে বক্তব্য রাখতে পারেন৷

সরকারি কৌঁসুলিরা যেভাবে তথ্যের বিনিময়ে একাধিক ব্যক্তিকে লঘু শাস্তির প্রস্তাব দিচ্ছেন, সেই আচরণের তীব্র সমালোচনা করেন ট্রাম্প৷ তাঁর মতে, এমন প্রক্রিয়া প্রায় বেআইনি হতে পারে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন