অস্ট্রিয়ায় নির্বাচনে জিততে মুসলিমদের ‘টার্গেট’ করা হচ্ছে | বিশ্ব | DW | 13.10.2017
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অস্ট্রিয়া

অস্ট্রিয়ায় নির্বাচনে জিততে মুসলিমদের ‘টার্গেট’ করা হচ্ছে

রবিবার অস্ট্রিয়ায় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে৷ ভোটারদের মন পেতে প্রার্থীরা মুসলিমবিরোধী বক্তব্যকে পুঁজি করছেন৷ শুধু চরম ডানপন্থি দলই নয়, মূলধারার একটি দলও এতে অংশ নিচ্ছে৷

অস্ট্রিয়ার বর্তমান জোট সরকারের একটি দল ‘অস্ট্রিয়ান পিপলস পার্টি' বা ওভিপি৷ অন্যটি ‘সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি অফ অস্ট্রিয়া' বা এসপিও৷ এই দুই দলের মধ্যে ওভিপি দলের প্রধান ৩১ বছর বয়সি সেবাস্টিয়ান কুরৎস বলেছেন, তিনি দেশের সীমান্ত আরো সুরক্ষিত করতে চান, রাজনৈতিক ইসলামের বিরুদ্ধে লড়তে চান আর অভিবাসীর সংখ্যা সীমিত করতে চান৷

কুরৎসের এই চাওয়াগুলো অনেকটা চরম ডানপন্থি দল ‘ফ্রিডম পার্টি অফ অস্ট্রিয়া' বা এফপিও-র চাওয়ার সঙ্গে মিলে যাচ্ছে৷ তাই এফপিও মনে করছে, কুরৎস তাদের ইস্যুগুলো চুরি করেছে৷ কারণ, এফপিও দল চায় ইসলামাইজেশন বা ইসলামিকরণ বন্ধ করতে

সবশেষ জরিপ বলছে, ইসলামের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ায় ওভিপি দলের প্রধান কুরৎস এগিয়ে আছেন৷ তিনি অনেক চরম ডানপন্থি সমর্থকদের দলে টানতে সমর্থ হয়েছেন৷

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে অস্ট্রিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিযুক্ত হন কুরৎস৷ তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র ২৭৷

অতীতে অস্ট্রিয়ায় নির্বাচনি প্রচারণায় কর, অর্থনীতি, শিক্ষা এসব বিষয় প্রাধান্য পেলেও এবারের নির্বাচনে সেগুলো পেছনের সারির বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়েছে৷ এবার প্রাধান্য পাচ্ছে অভিবাসন, শরণার্থী, ইসলামাইজেশন বিষয়গুলো৷

নির্বাচনি প্রচারণায় ওভিপি এবং এফপিও দলের এমন বক্তব্যের সমালোচনা করেছেন রাজধানী ভিয়েনায় বসবাসরত ইরানি সমাজকর্মী মোহাম্মদ আমিনি৷ তিনি অভিযোগ করেন, রাজনীতিবিদরা বছর তিনেক ধরে আসা শরণার্থীদের সঙ্গে ইসলামিকরণের সংযোগ করছেন৷ কিন্তু সেটি ঠিক নয়৷ কারণ, ইসলামিকরণের সঙ্গে সেই সব মানুষ যুক্ত, যারা বহু বছর ধরে অস্ট্রিয়ায় আছেন এবং চাকরি, সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার হয়েছেন৷ ‘‘পপুলিস্টদের সবসময় একটা ইস্যু দরকার৷ এখন সেটা ইসলাম,'' বলেন তিনি৷

এমির নুমানোভিচ/জেডএইচ

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন