অসলোর মসজিদে ক্রাইস্টচার্চের হামলার কালো ছায়া | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 12.08.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

নরওয়ে

অসলোর মসজিদে ক্রাইস্টচার্চের হামলার কালো ছায়া

শনিবার নরওয়ের এক মসজিদে সম্ভাব্য সন্ত্রাসী হামলা প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়েছে৷ ঈদুল আজহার ঠিক আগে এমন ঘটনাকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সে দেশের প্রশাসন৷ সন্দেহভাজন ব্যক্তি এখনো মুখ খোলেনি৷

নরওয়ের রাজধানী অসলোর আল-নুর ইসলামি সেন্টার মসজিদে বেশ কয়েকবার গুলি চালানো হয়

নরওয়ের রাজধানী অসলোর আল-নুর ইসলামি সেন্টার মসজিদে বেশ কয়েকবার গুলি চালানো হয়

শনিবার নরওয়ের রাজধানী অসলোর আল-নুর ইসলামি সেন্টার মসজিদে বেশ কয়েকবার গুলি চালানো হয়েছে এবং বেশ কয়েকটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে৷ তবে সৌভাগ্যবশত হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি৷ তা সত্ত্বেও এই ঘটনাকে নরওয়ের কর্তৃপক্ষ যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে৷ মসজিদে ৬৫ বছর বয়সি মহম্মদ রফিক নামে এক ব্যক্তি বল প্রয়োগ করে আততায়ীকে ঠিক সময়ে কাবু করে ফেলায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণেই ছিল৷ তিনি ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ দিয়েছেন৷

নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী এর্না সলবার্গ ঘটনাস্থলের কাছে একটি হোটেলে গিয়ে সংহতি দেখান৷ তিনি বলেন, এমন ঘটনা একেবারেই কাম্য নয়৷ তাঁর মতে, নরওয়ে নিরাপদ জায়গা থাকা উচিত৷ প্রধানমন্ত্রী পরে মন্ত্রিসভার কয়েকজন সদস্যকে নিয়ে অসলোর একটি মসজিদে যান৷ নরওয়ের অনেক মানুষ বিভিন্ন মসজিদে গিয়ে সংহতি দেখানোয় তিনি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন৷

ঈদুল আজহার সপ্তাহান্তে ঘটনাটিকে পুলিশ ‘সন্ত্রাসবাদের প্রচেষ্টা' হিসেবে বিবেচনা করছে৷ তবে আটক সন্দেহভাজন ব্যক্তি এখনো পর্যন্ত তার উদ্দেশ্য সম্পর্কে মুখ খোলেনি৷ তার বিরুদ্ধে হত্যার প্রচেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে৷ রবিবার রাতে পুলিশের এক কর্মকর্তা এ কথা জানিয়েছেন৷ তবে তার পরিচয় এখনো জানায়নি পুলিশ৷ পুলিশের ধারণা, সে একাই এই ষড়যন্ত্র চালিয়েছে৷

শনিবার অসলোর মসজিদের হামলা মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারতো বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে৷ পুলিশ জানিয়েছে, ২০ থেকে ৩০ বছর বয়সি নরওয়েজিয়ান ওই ব্যক্তি চরম দক্ষিণপন্থি ভাবধারায় দীক্ষিত৷ ইন্টারনেটে কার্যকলাপের কারণে তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছিল৷ সংবাদ মাধ্যমের একাংশের সূত্র অনুযায়ী, শনিবার হামলার কিছুক্ষণ আগে সে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে মসজিদে হামলার প্রশংসা করে দুটি পোস্ট করেছিল৷ সে নাৎসি জার্মানির সমর্থক হিসেবে পরিচিত নরওয়ের রাজনীতিক ভিডকুন কিসলিং-এর সমর্থক৷ ভিডকুন অভিবাসনেরও ঘোর বিরোধী৷

আটক ব্যক্তির বাসায় ১৭ বছর বয়সি এক তরুণীর মৃতদেহ উদ্ধার হবার পর তার বিরুদ্ধে সেই হত্যাকাণ্ডের অভিযোগও আনা হয়েছে৷ সেই নারী অভিযুক্তের সৎ বোন ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে৷ 

এসবি/এসিবি (ডিপিএ, রয়টার্স)

 

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন